বরিস জনসনের সুস্থতা কামনায় বিশ্ব নেতৃবৃন্দ

নিউজ ডেস্ক:    করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ১০ দিন পর হাসপাতালে ভর্তি হন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। অবস্থার অবনতি হওয়ায়  সোমবার তাকে আইসিইউতে নেয়া হয়। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের দ্রুত সুস্থতা কামনায় বার্তা দিয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র নেতারা।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের সুস্থতা কামনা করে বলেন, আমরা বরিসের সব ডাক্তারদের সঙ্গে যোগাযোগ করছি এবং আমরা দেখছি যে কি ঘটছে। সকল আমেরিকান তার সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করছে।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সুস্থতা কামনায় বার্তা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নও। একটি টুইট বার্তায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান উরসুলা ভন ডার লেন বলেন, খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে যান বরিস।

এদিকে বরিস জনসনের সুস্থতা কামনায় বার্তা দিয়েছে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রন। একটি টুইট বার্তায় ম্যাক্রন বলেন, আমি আশা করি যে সে খুব দ্রুত এই অগ্নিপরীক্ষায় সফল হবে।

স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেড্রো সানচেজ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের সুস্থতা কামনা করে একটি টুইট বার্তায় বলেন, প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি। আমাদের দেশও খুব কঠিন সময় পার করছে। কিন্তু একতার মাধ্যমে আমরা আমরা এই যুদ্ধে জয়ী হতে পারবো।

ইতালির পররাষ্ট্র মন্ত্রী লুইগি ডি মাইয়ো ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সুস্থতা কামনা করে একটি টুইট বার্তায় বলেন, এই কঠিন সময়ে ইতালির জনগণ যুক্তরাজ্যের পাশে আছে। খুব দ্রুত সুস্থ হন বরিস জনসন ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বার্তা দিয়েছে। একটি টুইট বার্তায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস অ্যাডানম গ্যাব্রিয়েসুস বলেন, আমি আমার বন্ধু বরিস জনসনের কথা চিন্তা করছি। আমার এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে তার জন্য শুভ কামনা।

বরিস জনসনের সুস্থতা কামনা করে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো একটি টুইট বার্তায় বলেন, আমার সহমর্মিতে আপনি এবং আপনার পরিবারের সঙ্গে রয়েছে। আরেকটি টুইট বার্তায় নেদারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুত্তে বলেন, আশা করি খুব দ্রুত তার সঙ্গে সুস্থ অবস্থায় কথা বলতে পারবো। সুস্থ হলে বরিস জনসনের সুস্থতা কামনা করে ন্যাটোর পক্ষ থেকে একটি টুইট বার্তায় বলা হয়, বরিস দ্রুত সুস্থ হয়ে যান।

গত ২৭ মার্চ বরিস জনসনের শরীরে করোনার উপস্থিতি ধরা পড়ে। ব্রিটিশ সরকারের প্রথম কোনো শীর্ষস্থানীয় নেতা হিসেবে তিনিই প্রথম করোনায় আক্রান্ত হন।