মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে বিএনপি বিষোদ্গার করছে: তথ্যমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক :    তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপির অনেকেই মন্তব্য করছেন, করোনাভাইরাস নিয়ে সরকার লুকোচুরি করছে। এটি আদৌ সত্য নয়। সরকার এ বিষয়ে কোনো লুকোছাপা করছে না। বরং প্রতিদিন সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দেশবাসীকে সর্বশেষ তথ্য জানাচ্ছে। করোনায় জনগণের পাশে না দাঁড়িয়ে বিএনপি শুধু বিষোদ্গার করছে। কিছু লিফলেট ছাপিয়ে দলটি জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।

বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের সভাপতি নাসিমুন আরা হক মিনুর সভাপতিত্বে সাংবাদিক মিজানুর রহমান মজুমদার, মনিমা সুলতানা, আখতার জাহান মালিক, শাহনাজ সিদ্দীকী সোমা প্রমুখ আলোচনায় অংশ নেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে স্বীকার করতে যারা ব্যর্থ হয়েছে, তারা ধীরে ধীরে নিজেরাই ইতিহাসের আঁস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হবে। মুজিববর্ষ শেষে বিএনপি-জামায়াতসহ স্বাধীনতার পরাজিত ক্ষয়িষ্ণু শক্তির আরও বিনাশ ঘটবে। রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ধীরে ধীরে তারাই দৃশ্যপট থেকে হারিয়ে যাবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘১৭ মার্চ মুজিববর্ষ শুরু হয়েছে। দেশ যখন উৎসবে মুখর, তখন কালকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, জাতিসংঘের মহাসচিব থেকে শুরু করে অন্যান্য দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধানরা বঙ্গবন্ধুর ওপর বক্তব্য রেখেছেন। বিশেষত ভারতের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকে পৃথিবীর মানুষের কাছে প্রেরণার উৎস ও অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব বলে আখ্যায়িত করেছেন। অথচ আমাদের দেশে বিএনপি-জামায়াত এ কথাটি স্বীকার করতে ব্যর্থ হয়েছে।’

নারীর বিষয়ে বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা স্মরণ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেশ স্বাধীনতা অর্জনের পর সংসদে নারীদের জন্য আসন সংরক্ষণ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানই করেছেন। সমাজে ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন স্তরে নারীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে তিনি অনেক পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। নারীর যে অগ্রগতি জাতির পিতার হাত ধরে শুরু হয়েছিল, সেটি সম্পূর্ণ করেছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, বাংলাদেশ আগে কখনও ভাবেনি যে নারী ডিসি, এসপি, পুলিশের অ্যাডিশনাল আইজিপি, মেজর জেনারেল, হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারপতি হবে। সেটি বাংলাদেশে হয়েছে। সারাবিশ্বেই কাজের ক্ষেত্রে পুরুষের তুলনায় নারীরা অনেক এগিয়ে। কর্মজীবী নারীরা একদিকে যেমন অফিস সামলান, তেমনি ঘরে ফিরে সংসার সামলান। তাদের বাদ দিয়ে উন্নয়নও সম্ভব নয়।