করোনা ঠেকাতে সব বন্দরে এখনই থার্মো স্ক্যানার জরুরি

নিউজ ডেস্ক:    বাংলাদেশের সব ধরনের বন্দর বা পোর্টে থার্মো স্ক্যানারের মনিটর প্রতিষ্ঠা করতে হবে। কারণ এ দেশের নিরাপত্তার জন্য তা খুবই দরকার। শুধু চীন নয়, যেকোনো স্থান থেকে করোনো ভাইরাস ছড়াতে পারে। আজ

বুধবার (৪ মার্চ) কেরানীগঞ্জের পানগাঁওয়ে চায়না গ্রুপ কম্পানি লিমিটেডের সংবাদ সম্মেলনে চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, কেউ জানে না মধ্যপ্রাচ্য, কোরিয়া, ইরান, চীন বা ইটালি থেকে এ রোগ ছড়াতে পারে। বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের মাত্র ১০ শতাংশ ঘটেছে চীনে। বাকি ৯০ শতাংশ ঘটেছে বিশ্বের অন্যান্য দেশে। ঘটনা ও সংখ্যা নিয়ে গুজব রয়েছে।

রাষ্ট্রদূত বলেন, ১১০ মিলিয়ন মাস্ক প্রতিদিন তৈরি হচ্ছে চীনে। এটির জন্য প্রভাব পড়েছে। অনেকে নববর্ষে গিয়ে ফিরে আসতে পারেনি। যারা উহান প্রদেশের তারা এখন ফিরে আসছেন না। কিন্তু অন্য প্রদেশের কর্মীরা ফিরে আসতে শুরু করেছেন। তবে তারা বাংলাদেশে আসার সঙ্গে সঙ্গে ১৪ দিন পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে।

চীন ও বাংলাদেশ হাতে হাত ধরে এগিয়ে চললে পরিস্থিতি উৎরানো যাবে, তিনটি মূল কথা আমি বলতে চাই।
প্রথমত, চীন করোনাভাইরাসকে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হচ্ছে। দ্বিতীয়ত, চীনের প্রকল্প চালু ও বিনিয়োগ অব্যাহত রয়েছে। তৃতীয়ত, আমি বাংলাদেশ সরকার ও মানুষকে বলতে চাই, চীন এ সংকট জয় করবে।
যেকোনো প্রকার বড় সমাবেশ পরিহার করতে হবে। যদি ধর্মীয় রীতি পালন করতে হয় তাহলে মাস্ক পড়া বাধ্যতামুলক করা দরকার।

সংবাদ সেম্মলনে জানানো হয়, পদ্মা সেতু প্রকল্পে ৬৬৬ জন চীনা নাগরিক কাজ করছেন। মূল সেতুর মোট ৪১টির মধ্যে ২৫টি স্প্যান উঠেছে। সর্বোপরি এ প্রকল্পে ৮৫.৬৫ শতাংশ দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছে। বাংলাদেশ সহযোগীদের কাছ থেকে সাহায্য ও সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে মাওয়া থেকে ভাঙা পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণের কাজ আগামী বছর শেষ হবে।

রেলওয়ের পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের কর্মকর্তা গোলাম ফখরুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বলেন, ২০২৪ সালের জুন মাসে রেল সংযোগ প্রকল্পের কাজ শেষ করা হবে। করোনাভাইরাসের জন্য কাজের গতি কমে গেছে।