বিক্রিত মানসিকতায় মন্ত্রীরা ড. কামালের সমালোচনা করছেন

বিশেষ প্রতিবেদক:  গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনরোদ্ধারের দাবীতে জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গনে বিকাল ৩ টায় গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি, সাবেক মন্ত্রী অধ্যাপক ড. আবু সাইদ এর সভাপতিত্বে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতির ভাষনে অধ্যাপক আবু সাইদ বলেন, দেশে আইনের শাষন নির্বাসিত, শিক্ষিত যুব সমাজ বেকার, শেয়ার মার্কেট, ব্যাংক বীমাসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে চলছে দূর্ণীতি, স্বজনপ্রীতি ও মন্দাভাব। মানুষের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে। বিক্রিত মানসিকতায় সরকারি দলীয় মন্ত্রী ও নেতারা ড. কামাল হোসেনের সমালোচনা করছেন। তিনি মানবিক কারনে তিন বারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশু মুক্তির দাবী করেন।

গণফোরাম নির্বাহী সভাপতি সিনিয়র এ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী বলেন, মুজিব বর্ষে মেগা প্রকল্প হাতে নেওয়া হচ্ছে, চলছে মেগা দূর্ণীতি। এত দূর্ণীতি বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে সহ্য করতেন না। ভোটার অনুপস্থিতির মাধ্যমে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইভিএম এর মাধ্যমে ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম করে দলীয় মেয়র ও কমিশনার প্রার্থীদের বিজয়ী করা হয়েছে। ভোটার বিহীন অবৈধ সরকারেক উৎখাতের জন্য জনগণকে রাজপথে নেমে আসার আহবান জানান।

সভাপতি পরিষদ সদস্য এ্যাডভোকেট জগলুর হায়দার আফ্রিক বলেন অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকা পাচার হয়ে গেছে। দেশকে বাঁচাতে ড. কামাল হোসেনের হাতকে শক্তিশালী করতে হবে। 

সাংগঠনিক সম্পাদক লতিফুল বারী হামিম বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর নামে চলছে অ-ব্যবস্থা। ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে অর্জিত দাবী সমূহকে পাঠ্যসূচি থেকে মুছে ফেলা হচ্ছে।সকল নিয়মকানুন উপেক্ষা করে চলছে পাঠ্যপুস্তক অবৈধভাবে সংশোধনের পালা। ছাত্র সমাজ ও শিক্ষাগণে কোন গণতন্ত্রের চর্চা নাই, বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ সমূহে ছাত্র সংসদ নির্বাচন দেওয়া হচ্ছে না। অবিলম্বে সকল বিশ্ববিদ্যালয়, হল ও কলেজ সমূহে ছাত্র সংসদ নির্বাচন চাই।

বীর মুক্তিযোদ্ধা খান সিদ্দিকুর রহমান বলেন, সাম্য, মানবাধিকার, ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করাই এখন জরুরী হয়ে পড়েছে। দেশের স্বাস্থ্যখাত ভেঙ্গে পড়েছে, কৃষকরা উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে না।

উক্ত সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, এ্যাডভোকেট হিলাল উদ্দিন, হাসিব চৌধুরী, মোঃ আজাদ হোসেন, যুবনেতা নাসির হোসেন, যুবনেতা রওশন ইয়াজদানী, মোহাম্মদ উল্লাহ মধু, সানজিদ রহমান শুভ, প্রভাষক বকুল ইমাম প্রমূখ।