আসুন ঐক্যবদ্ধভবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামকে জোরদার করি

নিউজ ডেস্ক:  স্বৈরাচার ও সামরিক শাসন বিরোধী দীর্ঘ আন্দোলনের মাধ্যমে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর তৎকালীন সরকারের পতন হয়। আসুন ঐক্যবদ্ধভবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামকে জোরদার করি। ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠা করি। এ দিবসটি উৎযাপন উপলক্ষে যুব গণফোরামের আহবায়ক নাছির হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তারা উপরে উল্লেখিত বক্তব্য রাখেন।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অধ্যাপক ড. আবু সাইয়িদ ও বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি এডভোকেট সুব্রত চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন এডভোকেট জগলুল হায়দার আফ্রিক, মোশতাক আহমেদ, এডভোকেট হেলাল উদ্দিন, লতিফুল বারী হামিম, মেজর অব. আসাদুজ্জামান বীর প্রতীক, খান সিদ্দিকুর রহমান, আব্দুল বাতেন খান, এম. শফিউর রহমান খান বাচ্চু, মিজানুর রহমান, মোহাম্মদ ইয়াসিন আলপনা, মো. আজাদ হোসেন, মুহাম্মদ উল্লাহ মধু, মো. জহিরুল ইসলাম, সানজিদুর রহমান শুভ প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক আবু সাইয়িদ বলেন: স্বৈরাচার শাসনের পতন হয়েছে কিন্তু স্বৈরাচারী ব্যবস্থা আরো পাকাপোক্ত হয়েছে। রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে কর্তৃত্ববাদী শাসন প্রতিষ্ঠা করেছে। যে গণতন্ত্রের জন্য লক্ষ শহীদ জীবন দিয়েছে তাদের রক্তের সঙ্গে প্রতি নিয়ত প্রতারণা করে চলেছে। তাদের জীবন যাত্রা দুর্বিসহ ও বিপর্যস্থ। এর থেকে মুক্তি পেতে হবে।

বিশেষ অতিথির এডভোকেট সুব্রত চৌধুরী বলেন: পিঁয়াজ, চাল সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সকল জিনিসের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে। দেশে বেকারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে না। হতাশায় ভূগছে যুব সমাজ। মাদক আসক্ত ও মাদক ব্যবসায়ীর নামে চলছে বিচার বর্হিভূত হত্যাকান্ড। চিকিৎসা ও শিক্ষার নামে চলছে বাণিজ্য।

বক্তারা আরো বলেন: আসুন বিজয়ের মাসে প্রতিজ্ঞা করি দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র যুব সহ সকল পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করি। দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করি।