বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনে আন্তর্জাতিক মানের হতে হবে

নিউজ ডেস্ক::  বঙ্গবন্ধু শুধুমাত্র বাঙালির নেতা নন, সমগ্র বিশ্বের নির্যাতিত মানুষের নেতা। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানসহ মুজিববর্ষব্যাপী সব আয়োজনে আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে হবে, যাতে বিশ্ব মিডিয়ার মনোযোগ আকর্ষন করে।

তথ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, এমপি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বাংলাদেশ আর ভারতের যৌথ প্রযোজনায় একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের কাজ চলছে। মন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আরও চলচ্চিত্র নির্মিত হবে বলে সাংবাদিকদের অবহিত করেন।

জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির নেতৃত্বাধীন মিডিয়া, প্রচার ও ডকুমেন্টশন উপকমিটি এবং চলচ্চিত্র ও তথ্যচিত্র উপকমিটির যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির কার্যালয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে। সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. মুরাদ হাসান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম। জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও মুজিববর্ষ উদযাপনের নানা আয়োজন বিষয়ে কমিটির কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্বন্ধে অবহিত করেন।।

জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির মিডিয়া সেন্টার স্থাপন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে নিয়ে আন্তর্জাতিক প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় প্রচার, বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ সংগ্রহ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসমূহে প্রচার, দেশব্যাপী ডিজিটাল স্ক্রিন স্থাপন ও অডিও ভিজ্যুয়াল প্রদর্শনীর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ প্রচার ও বঙ্গবন্ধুর উপর অনুষ্ঠান নির্মাণ ও প্রচার, ঢাকা ও টুঙ্গিপাড়ায় মিডিয়া কনফারেন্সের আয়োজন এবং নিউইয়র্ক, লন্ডন, ব্রাসেলস, দিল্লি, কলকাতা ইত্যাদি শহরে মিডিয়া কনফারেন্স আয়োজনের বিষয় নিয়ে সভায় আলোচনা করা হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির চলচ্চিত্র ও তথ্যচিত্র উপকমিটির আহবায়ক সংসদ সদস্য আকবর হোসেন পাঠান (ফারুক), জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বেগম মাশুরা হোসেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির উপপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকন, চলচ্চিত্র পরিচালক জনাব মোরশেদুল ইসলাম, অমিতাভ রেজা চৌধুরী ও মাসুদ পথিক, চলচ্চিত্র অভিনয় শিল্পী রিয়াজ আহমেদ ও ফেরদৌস আহমেদ, রেইনবো ফিল্ম সোসাইটির পরিচালক আহমেদ মুজতবা জামাল।

সাংবাদিকদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ইকবাল সোবহান চৌধুরী, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইফুল আলম ও সম্পাদক বেগম ফরিদা ইয়াসমিন, বিএফইউজে’র সেক্রেটারি জেনারেল শাবান মাহমুদ, একুশে টিভির সিইও মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, ৭১টিভির প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু, দৈনিক সংবাদের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক কাশেম হুমায়ুন, দৈনিক জনকণ্ঠের নির্বাহী সম্পাদক স্বদেশ রায়, দৈনিক আমাদের নতুন সময় পত্রিকার সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান, ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, দেশ টিভির পরিচালক কবি তারিক সুজাত, এটিএন বাংলার প্রধান বার্তা সম্পাদক জ. ই. মামুন, নাগরিক টিভির সিইও ডা. আব্দুন নূর তুষার, দৈনিক ইত্তেফাকের প্রকাশক বেগম তারিন হোসেন, ৭১টিভির সাংবাদিক ফারজানা রুপা এবং দেশ টিভির সাংবাদিক সাদিকুর রহমান পরাগ। বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক এস. এম. হারুন-অর-রশীদ, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইসতাক হোসেন, বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক নারায়ণ চন্দ্র শীলসহ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, তথ্য মন্ত্রণালয় ও জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এই সভায় উপস্থিত ছিলেন।