গৌরীপুরে বাড়িঘর ও দোকানপাটে হামলা, ভাঙচুর, আহত ১০

শফিকুল ইসলাম মিন্টু,গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা: ময়মনসিংহের গৌরীপুরের মাওহা ইউনিয়নের তাতীরপায়া গ্রামের পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাড়িঘরে হামলা- ভাঙচুর হয়েছে। এ ঘটনায় প্রতিপক্ষ ওই ইউনিয়নের বীর আহাম্মদপুর গ্রামের আবুল মিয়া গংদের নাম উল্লেখ ১৭ জনকে আসামি করে গৌরীপুর থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।

২১ অক্টোবর মাওহা ইউনিয়নের তাতীর পায়া গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে আরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।মামলা আসামিরা হলেন মাওহা ইউনিয়নের বীর আহাম্মদপুর গ্রামের আবুল মিয়া (৫০), নূরনবী (৫০), রাইকুল (৩৫) নয়ন মিয়া (৫৭), রতন মিয়া (২৮), মহসিন (২৫), সুজন মিয়া (৩৫), কাঞ্চন (২৫), হুমায়ূন (২০), সিদ্দিক (৪৫), নূর ফারুক (২৭), মানিক (২১), সুলতান (৪৫), সোহেল (৩০), আব্দুল হান্নান (৫২) নুরুজ্জামান (১৯), মানিক (১৮) সহ অজ্ঞাত নামা ১৫/২০ জন।

মামলার বাদী আরিফুল ইসলাম বলেন, সম্প্রতি আমার ছোট ভাই জুয়েলের বন্ধু মহসিন আবুল মিয়ার ভাগ্নে ফারুকের কাছ ৭০০ টাকা ধার নেয়। কিন্তু ফারুক ৭০০ টাকার পরিবর্তে ১০০০ টাকা নিলে আমার ভাই প্রতিবাদ করলে তাকে মারধর করে ফারুক। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা হওয়ার পর ১৯ অক্টোবর ফারুক ও তার মামা আবুল মিয়ার লোকজন দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে আমার চাচা আব্দুল হান্নানের দোকান ও বাড়িতে হামলা করে ভাঙচুর করে। এসময় বাঁধা দিতে গিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত হয় আমার বাবা-আব্দুল মান্নান, চাচা আব্দুল হান্নান ও ফখর উদ্দিন, চাচী নূরজাহান ও রহিমা খাতুন, ফুপু সখিনা খাতুন ও হালেমা খাতুন, চাচাতো ভাই সাদ্দাম ও রিয়েল সহ প্রায় দশ জন। এ ঘটনায় আমি গৌরীপুর থানায় মামলা দায়ের করেছি। কিন্তু আসামিরা আদালত থেকে থেকে জামিন নিয়ে এলাকায় ফিরে এসে বিভিন্ন মাধ্যমে হুমকি-ধামকি দেয়ায় আমরা আতঙ্কের মধ্যে আছি।

এ বিষয়ে বক্তব্য নেয়ার জন্য বৃহস্পতিবার বিকালে মামলার প্রধান আসামি আবুল মিয়ার মুঠোফোনে যোগাযোগ করে বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গৌরীপুর থানার এসআই বিপ্লব মহন্ত বলেন, পুলিশ মামলা তদন্ত করছে। মামলার অধিকাংশ আসামি আদালতে হাজির হয়ে জামিন নিয়েছেন।

ঢাকানিউজ২৪ডটকম/জাহিদ।