ক্রীড়া কক্ষ কুক্ষিগত করে অফিস বানাল ডাকসু’র সদস্যরা

ঢাবি প্রতিনিধি: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) অভ্যন্তরীণ ক্রীড়া কক্ষ দখল করে সেখানে নিজেদের অফিস বানিয়েছেন ডাকসুর কয়েকজন সদস্য ।

গতকাল শুক্রবার ডাকসুর ভবনে গিয়ে দেখা যায়, ডাকসুর ক্রীড়া কক্ষে সকল সদস্যের জন্য আলাদা আলাদা চেয়ার টেবিল সাজিয়ে রাখা হয়েছে । ক্রীড়া কক্ষের নামের উপরে সাদা কাগজে ‘ডাকসু সদস্যবৃন্দ’ লেখা রয়েছে।

এদিকে, ডাকসুর সভা কক্ষে কোনো চেয়ার টেবিল নেই। সম্পূর্ণ কক্ষ চেয়ার টেবিল শুণ্য।একটি কেরাম বোর্ড রাখা আর টেবিল টেনিসের দুইটি বোর্ড ও কেরামের একটি বোর্ড নিচে পড়ে রয়েছে।

ডাকসু সদস্যদের অফিস রুম হিসাবে বসার নির্ধারিত কোনো কক্ষ না থাকায় গত মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) সকালে ডাকসুর সভা কক্ষের চেয়ার টেবিল অভ্যন্তরীণ ক্রীড়া কক্ষে স্থানান্তর করা হয়।

ডাকসুর ক্রীড়া সম্পাদক শাকিল আহমেদ, সদস্য তিলোত্তমা শিকদার ও ফরিদা পারভীনের নির্দেশে তা করা হয়েছে বলে জানা যায়।

তবে কর্তৃপক্ষের সাথে কোনো আলাপ আলোচনা বা সিদ্ধান্ত ছাড়াই রুমটি দখল করার অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে ডাকসুর ক্রীড়া সম্পাদক শাকিল আহমেদ বলেন, এখানে দখলের কোনো ব্যাপার নেই। আপনারা জানেন, ডাকসু নির্বাচনের ৬-৭ মাস হয়ে গেলেও সদস্যদের বসার কোনো রুম ব্যবস্থা করা হয়নি। তাই সাময়িকভাবে আমরা কক্ষটি ব্যবহার করছি। খেলাধুলার জন্য আপাতত আমরা সভা কক্ষটি ব্যবহার করছি।

ডাকসুর সদস্য তিলোত্তমা শিকদার দাবি করেন ডাকসুর সমন্বিত সিদ্ধান্তেই এটা করেছেন তারা। তিনি বলেন, সদস্যদের জন্য কোনো কক্ষ নেই। আমরা অনেকদিন আগে থেকেই একটি রুমের প্রয়োজন যাতে শিক্ষার্থীদের সাথে বসে কথা বলতে পারি।

তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু)সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুর বলেছেন তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না।
তিনি বলেন,তাদের এরকম স্বেচ্ছাচারিতামূলক গর্হিত অশভনীয় কাজ করা উচিত হয়নি। ক্রীড়া কক্ষ ডাকসুর একটি ঐতিহ্য। সাত মাস পর কেন তারা হঠাৎ করে ক্রীড়া কক্ষ বন্ধ করে এটা করতে গেল তা আমি জানিনা। তবে আমার মনে হয় কোনো সাধারণ শিক্ষার্থী যাতে এখানে না আসতে পারে তাই এমনটা করা হয়েছে।