বুকার প্রাইজ পেলেন মার্গারেট অ্যাটউড ও বার্নারডাইন এভারিস্টো

নিউজ ডেস্ক:   প্রথা ভেঙ্গে দুইজন লেখককে ইংরেজি সাহিত্যের মর্যাদাপূর্ণ ম্যান বুকার প্রাইজ দেওয়া হয়েছে। কানাডিয়ান ঔপন্যাসিক মার্গারেট অ্যাটউডের (৭৯) সঙ্গে যৌথভাবে পুরস্কার জিতেছেন ব্রিটিশ লেখক বার্নারডাইন এভারিস্টো (৬০)।

প্রথমবারের মতো কৃষ্ণাঙ্গ নারী লেখক হিসেবে বার্নারডাইন এভারিস্টো পুরস্কার জিতলেন। এবারই ৭৯ বছর বয়সে সবচেয়ে বয়স্ক লেখক হিসেবে পুরস্কার পেলেন অ্যাটউড।

বুকার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অনেক চেষ্টা করেও একজনকে বেছে নিতে পারেননি বিচারকরা। তাই দুইজনকে যৌথভাবে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। দ্যা টেস্টামেন্টস উপন্যাসের জন্য অ্যাটউডকে এবং ‘গার্ল, ওম্যান, আদার’ বইটির জন্য বার্নারডাইনকে বেছে নেওয়া হয়েছে। পুরস্কারের অর্থ দুইজন সমানভাবে পাবেন। এবারের পুরস্কারের জন্য আরো মনোনীত হয়েছিলেন লুসি এলমান, ছিগোজি ওবিওমা, স্যার সালমান রুশদি এবং এলিফ সাফাক। খবর: বিবিসি।

১৯৬৯ সালে ম্যান বুকার পুরস্কার প্রদান শুরু হয়। বুকারের ইতিহাসে এটি তৃতীয়বার যৌথভাবে পুরস্কার জেতার ঘটনা। ১৯৭৪ সালে নাদিন গোরডাইমার ও স্ট্যানলি মিডলটন এবং ১৯৯২ সালে মাইকেল ওন্দাজে ও ব্যারি আন্সওর্থ যৌথভাবে এ পুরস্কার জেতেন। ১৯৯৩ সালে নিয়ম করা হয়েছিল, এই পুরস্কার আর কখনোই ভাগাভাগি করে দেওয়া হবে না। তবে সেটা রক্ষা করতে পারেননি বিচারকরা।

বুকার প্রাইজ ফাউন্ডেশনের সাহিত্য বিষয়ক পরিচালক গ্যাবি উড বলেন, বুকারের বিচারকেরা টানা পাঁচ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে সংক্ষিপ্ত তালিকায় থাকা জনপ্রিয় বইগুলো নিয়ে আলাপ-আলোচনা করে বুঝতে পারেন, এর মধ্য থেকে একজন বিজয়ী বের করা অসম্ভব।

এক প্রতিক্রিয়ায় বার্নারডাইন এভারিস্টো বলেন, এমন অনেক পুরস্কারই আছে যেগুলো নির্দিষ্ট কোনো গোষ্ঠীর মানুষ পায় না। এবং এটা সত্যি যে কৃষ্ণাঙ্গরা সাহিত্যে খুব বেশি পুরস্কার পায় না। এটা কেউ খেয়াল না করলেও ব্যাপারটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

অ্যাটউড ২০০০ সালে তার ব্লাইন্ড অ্যাসাসিয়ান বইয়ের জন্যও বুকার জিতেছিলেন। তিনি এভারিস্টোর সঙ্গে মঞ্চে দাঁড়িয়ে বলেন, আমি একা থাকলে সেটা আমার জন্য বিব্রতকর হতো। আপনিও আমার সঙ্গে থাকায় আনন্দিত।