ময়মনসিংহে আ’লীগ নেতা শামীম. মোয়াজ্জেম, টিটু’র বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশে নিন্দার ঝড়, প্রতিবাদে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল

মো. নজরুল ইসলাম,ময়মনসিংহ :
ময়মনসিংহ জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ নেতাসহ সিটি করপোরেশনের মেয়রের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্ধেশ্য প্রণোদিত অপপ্রচারের সংবাদের প্রতিবাদে ঝড় বইছে। মঙ্গলবার (০১ অক্টোবর) সকালে সংবাদ সম্মেলন করেছে জেলা আওয়ামী লীগ। বিকালে হাজার হাজার প্রতিবাদী বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মী, ভক্ত নারী-পুরুষ বিক্ষোভ মিছিল করেছে। শহরের কৃষ্ণচুড়া চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের টাউন হলের সামনে গিয়ে শেষ হয়। জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, কৃষকলীগ, মহিলালীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগসহ বিভিন্ন অংগসংগঠনসহ ময়মনসিংহ জিলা মটর মালিক সমিতি ও ময়মনসিংহ জিলা মটরযান কর্মচারী ইউনিয়ন এবং অন্যান্য সংগঠন প্রতিবাদ বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেন। গত ২৮ সেপ্টেম্বর ‘সম্পাদক ডটকম’ নামে একটি নামে একটি অনলাইনে ক্ষমতার পালা বদলে হঠাৎ সম্পদশালী শামীম, টিটু , মোয়াজ্জেম এখন কোটি কোটি টাকার সম্পদ শিরোনামে সংবাদ পরিবেশন করে। পরে আবার সংবাদটি তুলে নেয়। এ ব্যাপারে কোতোয়ালী থানায় ডিজিটাল মামলা হয়। এব্যাপারে পুলিশ মাসুদ রানা বিজয় নামে ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার করেছে।


মঙ্গলবার (০১ অক্টোবর) সকালে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল, সহ-সভাপতি আমিনুল হক শামীম ও মোমতাজ উদ্দিন, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক টিটু, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এহতেশামুল আলম, জেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী আজাদ জাহান শামীম।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জেলা আ’লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী আজাদ জাহান শামীম বলেন, একটি কুচক্রীমহল জেলা আ’লীগের স্বনামধন্য নেতাদের হেয় প্রতিপন্ন করার ঘৃণ্য অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। মহলটি বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে রাজনৈতিক দেওলিয়াপনার পরিচয় দিয়ে মিথ্যা বানোয়াট, জঘণ্য ষড়যন্ত্রমূলক কূট-কৌশলের আশ্রয় নিয়েছে।
তিনি বলেন, জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল একজন স্বনামধন্য আইনজীবী। তিনি যুদ্ধাপরাধীর বিরুদ্ধে এবং বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কটূক্তিকারীদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করেছেন। দলীয় কর্মকান্ড বেড়ে যাওয়ায় বর্তমান দলীয় কার্যালয়ে স্থান সংকুলান না হওয়ায় জেলা আ’লীগের নতুন কার্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। সেখানে প্রতিদিন ৪০০/৫০০ নেতাকর্মীর সমাগম হচ্ছে।


অলকা নদীবাংলায় তার কোনো ফ্ল্যাট নেই। তিনি সেখানে একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে বসবাস করছেন। তার কোনো প্রাইভেটকার নেই। চলেন রিকশায় অথবা দলীয় কর্মীদের মোটরবাইকে।
তিনি বলেন, জেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি আমিনুল হক শামীম ও তার ছোট ভাই মহানগর আ’লীগের সহ-সভাপতি ও ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক টিটু পারিবারিকভাবেই বড় ব্যবসায়ী। আমিনুল হক শামীম একজন ভিআইপি এবং সিআইপি। তিনি বিএনপি আমলে কারা-নির্যাতিত নেতা। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আ’লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। তার দেশে ফাইভ স্টার হোটেলসহ বিভিন্ন বৈধ ব্যবসা রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, মহানগর আ’লীগের সহ-সভাপতি ও ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক টিটুর বিরুদ্ধে মনগড়া, মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ করা হয়েছে, যা ফরমায়েসী অপপ্রচার ছাড়া আর কিছুই নয়। এসব মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা জানাই।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল, সহ-সভাপতি আমিনুল হক শামীম, মহানগর শাখার সহ-সভাপতি ও ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক টিটুর নামে মিথ্যা, বানোায়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের বিরুদ্ধে কোতোয়ালী মডেল থানায় আইসিটি আইনে মামলা দায়ের করেছেন।