ডমিঙ্গো-সাকিবকে নিয়ে বিসিবির বৈঠকে যা হলো

নিউজ ডেস্ক:   প্রায় দেড় মাসের ছুটি কাটিয়ে অনুশীলনে ফিরেছেন সাকিব আল হাসান। বিশ্বকাপ শেষে ছুটিতে যাওয়ায় শ্রীলঙ্কা সফরেও ছিলেন না তিনি। কন্ডিশনিং ক্যাম্প আরও পাঁচ দিন আগে শুরু হলেও সাকিব ছুটিতে থাকায় যোগ দিতে পারেননি।

শনিবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ক্যাম্পে যোগ দেওয়ার পরই নতুন কোচসহ সাকিবকে নিয়ে বৈঠকে বসে বিসিবি।

বিসিবির কার্যালয়ে বৈঠকে ছিলেন ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান, দুই নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু, হাবিবুল বাশার, প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গো এবং টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।

ডমিঙ্গো ও ল্যাঙ্গাভেল্ট ২১ আগস্ট থেকে কাজ করছেন শিষ্যদের নিয়ে। তার সঙ্গে সাকিবের প্রথম সাক্ষাৎ আজ। এ ছাড়া নির্বাচক হাবিবুল বাশার দেশের বাইরে থাকায় আগে আলাপ হয়নি কোচদের সঙ্গে। আজই প্রথম সাক্ষাৎ হলো তাদের।

বৈঠকে মূলত দেশের ক্রিকেটকে কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, এটা নিয়েই আলোচনা হয়েছে। নির্বাচক, কোচ ও অধিনায়ককে সঙ্গে নিয়ে বৈঠকে বসার কারণ বলেতে গিয়ে আকরাম খান বলেন, ‘বিশ্বকাপের পর আমাদের দলে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। তাই অধিনায়ক, কোচের সঙ্গে আমরা সিলেক্টরদের নিয়ে বৈঠক করেছি।’

কোচ-অধিনায়ককে সঙ্গে নিয়ে এই প্রথম বৈঠক, কী আলোচনা হয়-এমন প্রশ্নের জবাবে আকরাম খান বলেন, ‘একটা বিষয় আমাদের আলোচনা হয়েছে, হাউ টু ইম্প্রুভ আওয়ার ক্রিকেট। আমি তাদের কতটা হেল্প করতে পারব, সবকিছু মিলিয়ে এই ধরনের আলাপ-আলোচনা হয়েছে।’

ক্রিকেট বোর্ডের শীর্ষ এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘কিছু জিনিস আছে গুরুত্বপূর্ণ এগুলো দেশে থাকলে অনুভব করি না। কিন্তু বাইরে গেলে আমাদের ঠিকই মনে হয় এগুলো খুব দরকার। আমরা যে পরিকল্পনা করেছি দেশে-বিদেশে স্ট্যান্ডার্ডটা একই হতে হবে। আমরা হোমে যেরকম ভালো খেলি বাইরেও যাতে সেরকম খেলতে পারি। ‘

দেশের বাইরে টাইগারদের যে মুখোমুখি বেশি হতে হয়, সেটা হলো কন্ডিশন ও পিচ। কন্ডিশন মানিয়ে নেওয়া সম্ভব হলেও পিচের কারণে ব্যাটিং ব্যর্থতায় ভোগে বাংলাদেশ। দেশেও টাইগারদের জন্য সেরকম পেস সহায়ক বানানো হবে কি না, এমন প্রশ্নে আকরাম খান জানান, বাইরের মতো মান বজায় রাখার চেষ্টা করা হবে।

আকরাম বলেন, ‘বাইরের দেশের উইকেটের মতো মান বজায় রাখার চেষ্টা করা হবে। ট্রু উইকেট করা হবে। তবে দেশে তো আমাদের অ্যাডভান্টেজেই উইকেট তৈরি হবে, তবে যাতে বাইরের দেশের উইকেটের মতো মান বজায় থাকে সেই চেষ্টা থাকবে।’