ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কমিটির সেমিনার

সুমন দত্ত: পণ্য কিনতে কেন ঠকে যাবেন। আপনার জন্য প্রতিকার আছে। তার জন্য আমরা আছি আপনার পাশে। আপনার সহযোগিতা পেলে আমরা চলে যাবো তার কাছে যিনি আপনাকে ঠকিয়েছে। আমরা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কমিটি। বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সেমিনার ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ভোক্তা অধিকারে নিয়োজিত সংরক্ষণ কমিটির নেতৃবৃন্দ। এদিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ। ছিলেন সরকারের অতিরিক্ত খাদ্য সচিব মোঃ ওমর ফারুক। ভোরের ডাকের সম্পাদক বেলায়েত হোসেন, কবি ও সাহিত্যিক দারা মাহামুদ।

২০১৪ সালে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কমিটি হয়। আজ সংগঠনটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি পেয়েছে বলে জানায় অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া সংগঠনের বক্তারা। জনগণকে সাথে নিয়েই এই সংগঠন কাজ করবে বলে জানায়।

কবি দারা মাহমুদ বলেন, আজ চার বছর হয়ে গেল লোকজন এখনো ভোক্তা অধিকার সম্পর্কে তেমন কিছু জানে না। সংগঠনটির হাটার গতি খুব ধীর। একে আরো জোরে চলতে হবে। ভোক্তা আমি। আমার অধিকার কার কাছে দাবি করবো? কে আমাকে তাৎক্ষনিকভাবে প্রতিকার দেবে? আমি সবকিছুতে আদালতে গিয়ে প্রতিকার চাইতে পারি না। তাই এই অধিকার আদায়ের জন্য সরকারকে হটলাইন চালু করতে হবে। সেই হট লাইন ভোক্তার কথা শুনবে যেমনটা আজ ডেঙ্গুর জন্য শোনা হচ্ছে।

আইনজীবী আশরাফ বলেন, ভোক্তা অধিকার সম্পর্কে জানানোর জন্য আমাদের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে হবে।

মুক্তিযোদ্ধা গাজী কামরুজ্জামান বলেন, ভোক্তা অধিকার আন্দোলনে সবাইকে সম্পৃক্ত হতে হবে।

বেলায়েত হোসেন বলেন, ভোক্তা অধিকার সম্পর্কে অ্যাওয়ারনেস তৈরি করতে হবে। সবাইকে এই আইন সম্পর্কে জানতে হবে।