বড় হার দিয়ে তামিমদের শুরু

নিউজ ডেস্ক:  শ্রীলঙ্কার রানের পাহাড় টপকাতে পারেনি বাংলাদেশ। হোচট খেয়ে পড়ে গেছে অধিনায়ক তামিমের দল। কলম্বোর প্রেমাদসা স্টেডিয়ামে লঙ্কানদের দেওয়া ৩১৫ রানের পাহাড় টপকাতে নেমে ২২৩ রানে গুটিয়ে যায় টাইগাররা।

৯১ রানের বড় হার দিয়ে শুরু হয় শ্রীলঙ্কা সিরিজ। নিজের বিদায়ী ম্যাচে দুর্দান্ত বোলিং করে দলকে জয় এনে দিয়েছেন মালিঙ্গা।

আজ শুক্রবার তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে জিতে সিরিজে এগিয়ে গেল শ্রীলঙ্কা। সিরিজ জয়ের জন্য টাইগারদের বাকি দুই ম্যাচে জয় ছাড়া কোনো বিকল্প নেই তামিমদের সামনে।

বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য ছিল পাহাড় সমান। ৩০০ বলে করতে হবে ৩১৫ রান। এদিক-ওদিক তাকানোর কোনো সুযোগ নেই। ক্রিজে সেট হওয়ার সঙ্গে স্ট্রাইকরেটের দিকেও রাখতে হবে কড়া নজর। কিন্তু এমন ম্যাচে খেলতে নেমেই শূন্য রানেই মালিঙ্গার বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরলেন অধিনায়ক হিসেবে এই প্রথম খেলতে নামা তামিম ইকবাল।

ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছিলেন সৌম্য-মিথুন। কিন্ত পারলেন না। পরপর দুইজন আউট হলে বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। ক্রিজে এসে ফিরে যান মাহমুদুল্লাহও। মাত্র পাঁচ ওভারে ১২ রান দিয়ে দুই উইকেট নিয়েছেন মালিঙ্গা। সৌম্য (১৫) ও মিথুন (১০) দুই অঙ্কের ঘরের দেখা পেলেও মাহমুদুল্লাহ আউট হয়েছেন মাত্র তিন রান করে।

সাব্বির-মুশফিকের জুটি স্বপ্ন দেখিয়েছিল। কিন্তু বেশিদূর দলকে নিয়ে যেতে পারেননি দুজন। ভুল শটে আউট হয়ে সাব্বির সাজঘরে ফিরলে ভাঙে ১১১ রানের জুটি। মুশফিকও একা বেশিদূর যেতে পারেননি। তার ইনিংস থামে ৬৭ রানে। এটাই দলীয় সর্বোচ্চ রান।

লঙ্কানদের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন মালিঙ্গা ও প্রদীপ। দুটি উইকেট নেন সিলভা।

এর আগে প্রেমাদাসার ব্যাটিং সহায়ক পিচে টস জিতে ব্যাটিং নিতে ভুল করেননি লঙ্কান অধিনায়ক দিমুথ করুনারত্নে। ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ওপেনার ফার্নান্দোকে হারালেও অধিনায়ককে সঙ্গে নিয়ে বিধ্বংসী ক্রিকেট খেলেন কুশল পেরেরা।

করুনারত্নে ৩৬ রান করে আউট হলে ভাঙে ৯৭ রানের জুটি। তবে কুশল পেরেরা মাঠ ছাড়েন তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার ছুঁয়েই। এ ছাড়া কুশল মেন্ডিস ৪৩, অ্যাঞ্জেলা ম্যাথুস খেলেন ৪৮ রানের ইনিংস।

বোলিংয়ে শুরুতেই শফিউল ইসলাম শুরুতে ঝলক দেখালেও শেষ পর্যন্ত সেই ধার ছিল না। তবে সর্বোচ্চ উইকেট নিয়েছেন তিনিই। ৯ ওভারে ৬২ রান দিয়ে দিয়ে তিন উইকেট নেন শফিউল। রুবেল-মিরাজরা শুরু থেকেই নির্বিষ বোলিং করেছেন। দুজনে নেন একটি করে উইকেট। সবচেয়ে খরুচে বোলার ছিলেন মোস্তাফিজ। ৭৫ রান দিয়ে নেন দুই উইকেট।