উচ্চ মাধ্যমিকে পাসের হার ৭৩.৯৩%

নিউজ ডেস্ক:   উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। বুধবার সকালে গণভবনে ফলের সারসংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেবেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তার সঙ্গে ছিলেন দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান। উচ্চ মাধ্যমিকে এবার পাসের হার ৭৩.৯৩% বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। দুপুর সাড়ে ১২টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত ফল গণমাধ্যমের কাছে তুলে ধরবেন তিনি। দুপুর ১টায় ফল প্রকাশ করা হবে।

এবার জিপিএ–৫ পেয়েছেন ৪৭ হাজার ২৮৬ জন শিক্ষার্থী। গত বছর এ পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২৯ হাজার ২৬২ জন।

সেই হিসাবে এবার উচ্চ মাধ্যমিকে পাসের হার বেড়েছে ৭ দশমিক ২৯ শতাংশ পয়েন্ট। আর পূর্ণাঙ্গ জিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে ১৮ হাজার ২৪ জন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, দশ শিক্ষা বোর্ডে এবার সব মিলিয়ে পরীক্ষার্থী ছিল ১৩ লাখ ৩৬ হাজার ৬২৯ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে ৯ লাখ ৮৮ হাজার ১৭২ জন। এর মধ্যে এইচএসসিতে আট সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ৭১ দশমিক ৮৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪১ হাজার ৮০৭ জন। মাদ্রাসা বোর্ডে এবার পাস করেছে ৮৮ দশমিক ৫৬ শতাংশ শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ২ হাজার ২৪৩ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। আর কারিগরি ও ভোকেশনাল বোর্ডে পাসের হার এবার ৮২ দশমিক ৬২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ২৩৬ জন।

এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ৪১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। আর ৯০৯টি প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সব শিক্ষার্থীই পাস করেছে।

ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে ‘রেজাল্ট’ কর্নারে ক্লিক করে ইআইআইএন নম্বর দিয়ে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করতে পারবে। এ ছাড়া জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে রেজাল্ট শিটের হার্ড কপি সংগ্রহ করা যাবে। তবে বোর্ড থেকে কোনো হার্ড কপি সরবরাহ করা হবে না। বৃহস্পতিবার থেকে সাত দিন পর্যন্ত ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে।

গত ১ এপ্রিল ২০১৯ সালের এইচএসসি ও সমমানের তত্ত্বীয় পরীক্ষা শুরু হয়। শেষ হয় ১১ মে। এরপর ১২ মে ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হয়ে ২১ মে তা শেষ হয়। এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থী ছিল ১৩ লাখ ৫৮ হাজার ৫০৫। এর মধ্যে আটটি সাধারণ বোর্ডের অধীনে এইচএসসিতে পরীক্ষার্থী ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৫০। এ ছাড়া মাদ্রাসার আলিমে ৮৮ হাজার ৪৫১ এবং কারিগরিতে এইচএসসি (বিএম) এক লাখ ২৪ হাজার ২৬৪ পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।