সার্টিফিকেটে বা (NID) তে ভুল নাম কি ভাবে সংশোধন করবেন?

সার্টিফিকেটে বা (NID) তে ভুল নাম কি ভাবে সংশোধন করবেন?
আপনার সার্টিফিকেটটি হাতে পাওয়ার পর যদি দেখেন সার্টিফিকেটে আপনার নাম ভুল এসেছে বা জন্মতারিখ বা পিতf-মাতার নাম ভুল এসেছে তাহলে মাথা নষ্ট হওয়ার উপক্রম হবে এটাই স্বাভাবিক। দুঃখজনক হলেও সত্য এমন পরিস্থিতির শিকার হওয়া ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা কম নয়।

সার্টিফিকেটে নিজ নাম, পিতা-মাতার নাম বা জন্ম তারিখ ভুল হলে, আমরা দিশেহারা হয়ে পড়ি, এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব …..।

জানুন প্রথমেই কাজটি শুরু করতে হলে যে শিক্ষা বোর্ড থেকে পাশ করছেন বা নির্বাচন কমিশনারের অফিস বা অনলাইন থেকে ফরম সংগ্রহ করুন। তারপর নোটারী পাবলিক দিয়ে বা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট থেকে এফিডেভিট করুন। অত:পর জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করুন। ফরমটি সঠিক ভাবে পুরন করে ছবিসহ অন্যান্য কাগজপত্র সত্যায়িত করুন, সংশ্লিষ্ট অফিসের নিয়ম অনুযায়ী সোনালী বাংকে ডিডি বা বাংক ড্রাফটের টাকা জমা করুন। অফিস চলাকালিন সময়ে নগদে বা অনলাইনে টাকা জমা করতে পারেন। নিজের নাম, পিতা/মাতার নাম সংশোধনের জন্য যথাযথ সাপোর্টিং কাগজপত্র আবেদন পত্রের সাথে জমা দিতে হবে। অন্যথায় আবেদনটি বাতিল বলে গন্য হবে। শিক্ষা বোর্ড বা নির্বাচন কমিশনারের মাসিক সভায় নাম সংশোধনের আবেদনটি যাচাই বাচাই করে নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্তটি পাশ হবে।

কারও জন্ম তারিখ যদি ভুল হয় তাহলে যেই সালে তিনি পাশ করেছেন সেই সাল থেকে পরবর্তী দুই বছরের মধ্যে জন্ম তারিখ সংশোধন করতে হয়। সাধারণত এর পর আর তা সংশোধন করা হয় না। তবে বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে পুনর্বিবেচনা করা হয়।

হলফনামা সম্পাদন 
নাম বা জন্ম তারিখের ভুল সংশোধনের জন্য প্রথমে আইনজীবীর মাধ্যমে নোটারি বা এফিডেভিট করাতে হবে।প্রার্থীর নিজের নাম সংশোধনের ক্ষেত্রে তার বয়স যদি ১৮ বছরের বেশি হয়, তাহলে তিনি নিজেই এফিডেভিট করতে পারবেন। প্রার্থীর বয়স যদি ১৮ বছর পূর্ণ না হয় বা প্রার্থী যদি তার মা-বাবার নাম সংশোধন করতে চান, তাহলে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে প্রার্থীর বাবা কর্তৃক প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা নোটারি পাবলিকের কাছ থেকে এফিডেভিট করতে হবে।

পত্রিকায় বিজ্ঞাপন
হলফনামা সম্পাদনের পর একটি দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে।

আবেদন পত্রের সঙ্গে যে সকল তথ্য জমা দিতে হবে
আবেদনপত্রের সঙ্গে ব্যাংক ড্রাফটের মূল কপি, পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির কাটিং, মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার সার্টিফিকেটের সত্যায়িত ফটোকপি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক সত্যায়িত এক কপি পাসপোর্ট আকারের ছবি এবং প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা নোটারি পাবলিকের কাছে নাম বা জন্ম তারিখ সংশোধন সম্পর্কে এফিডেভিট করে তার মূল কপি জমা দিতে হবে।

** বিশেষ করে বর্তমানে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সকল আবেদন স্কুল/কলেজ তথা অনলাইনের মাধ্যমে জমা করা যায়। নাম স্ংশোধন এর ক্ষেত্রে অনলাইনের সিরিয়াল ক্রমিক অনুযায়ী মাসিক ৫০০শতর মত আবেদন মিটিংয়ে তোলা হয়। নতুন আবেদন কারীদের ক্ষেত্রে পাচ/ ছয় মাস লাগতে পারে, জরুরী প্রয়োজনে সচিব, কন্ট্রোলার, চেয়্যারম্যান মহোদয়- এর বিশেষ সুপারিশ ক্রমে আগে করা যেতে পারে অবশ্যই যেৌক্তিক কাগজপত্র দেখাতে হবে।

আরো বিস্তারিত তথ্য পরামর্শে জানতে ও সঠিক ভাবে এফিডেভিট ও পত্রিকা বিজ্ঞপ্তি করানোর জন্য যোগাযোগ করতে পারেন। এই কাজে সেবা দানকারী একমাত্র অভিজ্ঞ প্রতিষ্ঠান : দিগন্ত ইনফরমেশন মিডিয়া। প্রতিষ্ঠানের পরিচালক গনমাধ্যম কর্মী নাইম রহমান জানান তিনি স্বচ্ছতার সাথে দুই হাজার ছয় সাল থেকে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পশ্চিম গেইট অফিস নিয়ে এই সেবা শুরু করেন। কারন তিনি নিজের কাজ করতে গিয়ে তথ্যের অভাবে নিজেই ভোগান্তিতে পরেন। পরবর্তিতে নিজে উক্ত সেবাটি ভুক্তভোগি মানুষের কথা চিন্তা করে চালু করেন, এখন দীর্ঘ দিন পর সেবার কাজ তার পেশায় পরিনত হয়েছে। মানুষকে সঠিকভাবে পরামর্শ দিয়ে তিনি পত্রিকার বিজ্ঞাপন ও এফিডেভিটের কাজটি করে থাকেন।

এছারা হারানো সনদপত্র/মার্কসীট, বোর্ড থেকে উত্তোলন করা, বা (NID) কার্ড উত্তোলন করার ব্যাপারে সহযোগীতা দিয়ে থাকেন। (দেশের যে কোন প্রান্ত হতে, ঘরে বসে যে কোন ধরনের সেবা ও পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে পারেন

বর্তমানে তিনি মতিঝিলে একটি পত্রিকার অফিসে নিউজ, উপ এডিটর এর কাজ করেন। উক্ত কাজ করানোর বা পরামর্শের জন্য তার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। মোবা::01718-80 5381, facebook: ফেজবুকপেজ:- diganta info দিগন্ত ইনফরমেশন মিডিয়া।
ঢাকা নিউজ২৪কম, ০১৮৬- ৫২ ১১ ৩৮১ সহযোগীতা-বা বিস্তারিত জানতে  ফোন বা ই-মেইল করতে পারেন। (digantainf@gmail.com), facebook page, লাইক দিন: www.facebook.com/Diganta-info-দিগন্ত-ইনফরমেশন-মিডিয়া-762159573922361/?ref=bookmarks