পাঠ্য পুস্তক থেকে বিবর্তনবাদ বাদ দিতে হবে

সুমন দত্ত: বাংলাদেশের পাঠ্যপুস্তক থেকে ডারউইনের বিবর্তনবাদ মুছে দিতে হবে। ডারউইনের মতবাদ একটি কুফরি। এই মতবাদ নাস্তিক্যবাদী ধ্যান ধারণার জন্ম দেয়। তাই সরকারের কাছে অবিলম্বে ডারউইনের বিবর্তনবাদ পাঠ্য পুস্তক হতে বাতিলের আবেদন জানিয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ। সোমবার এ দাবি জানিয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন তারা। অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা নূর হোসেইন কাসেমী।

কাসেমী বলেন, ২০১৩ সালের আগে নবম ও দশম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তকে বিবর্তনবাদ ছিল না। বিবর্তনবাদ নবম ও দশম শ্রেণির পাঠ্য বইয়ে আনা হয় ২০১৩ সাল থেকে। এ সময় তারা কিছু পুরান বইয়ের কপি সঙ্গে করে নিয়ে আসেন। তারা আরো বলেন বিবর্তনবাদ যে বিজ্ঞান বইতেই ঢুকানো হয়েছে তেমনটা নয়। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির সমাজ বিজ্ঞান বইতেও বিবর্তনবাদ ঢুকানো হয়েছে। এসব বইয়ের ২৫১ থেকে ২৫৬ পৃষ্ঠা বিবর্তন বাদী বিজ্ঞানীদের ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ দিয়ে শেষ করা হয়েছে।

বক্তাদের মতে পৃথিবীর বহু বিজ্ঞানী বিবর্তনবাদ সাথে ভিন্নমত পোষণ করেছে। তাদের মতে এভাবে কখনো বিবর্তন ঘটেনি। তাদের মতে বিবর্তনবাদ ভ্রান্ত দেখেই আমেরিকা, তুরস্ক, রুমানিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া বিবর্তন শিক্ষাকে বাতিল করে দিয়েছে।

অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া বক্তাদের মতে বিরর্বতনবাদের কারণেই দেশে নাস্তিকতা বাড়ছে। লোকজন ধর্মহীন হয়ে পড়ছে। আগামীতে যারা মা বাবা হবেন তারা ধর্মীয় রীতিনীতিতে বিশ্বাসী হবেন না। মদ জুয়ার বিধিনিষেধ মানবে না। সমকামিতার বৈধতা নিয়ে আন্দোলন হবে। প্রতিবেশী ভারতে সমকামিতা বৈধ করা হয়েছে এসব কারণে। তাদের ২০০০ সালের পর বিবর্তন বাদ পাঠ্যপুস্তকে আনা হয়। যার রেজাল্ট এখন তারা পাচ্ছে।

ঢাকানিউজ২৪ডটকম