দূরের যাত্রার নিরাপত্তা

১. দূরের যাত্রার নিরাপদ এবং যাত্রীবান্ধব সেবা প্রদান করে এরূপ পরিবহনে যাতায়াতের চেষ্ঠা করুন।

২. নিজের গন্তব্য সম্পর্কে এবং কোথায় অবস্থান করবেন তা আগেই নিশ্চিত করুন।

৩. এমনভাবে যাত্রা শুরু করুন যেন সন্ধ্যার আগে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন। আপনি যেখানে যাবেন সেখানে আপনার নিকট আত্মীয় বা পরিচিত কেউ থাকলে তাকে আপনি কখন পৌঁছাবেন সে বিষয়ে আগেই একটি ধারণা দিয়ে দিন।

৪. চলার পখে, রাস্তাঘাটে ফেরিওয়ালার কাছ থেকে খাবার কিনে খাওয়া খেকে নিজেকে বিরত রাখুন। ফেরিওয়ালা কর্তৃক বিক্রিত চা, পানি, ডাব, জুস্, ড্রিংকস্, চক্লেট্, বিস্কুটসহ অন্য যে কোনো খাবার পরিহার করতে চেষ্টা করুন। এগুলোতে ঘুমের ওষুধ মিশানো থাকতে পারে যা আপনার সম্পত্তি এবং জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। ডাব, বোতল পানি, জুস্, ড্রিংকস্-এর মধ্যে ইন্জেক্শন্ দিয়ে ঘুমের ওষুধ প্রবেশ করান হয় যার অতিরিক্ত ডোজ্ আপনার মৃত্যুও কারণও হতে পারে।

৫. আশপাশের যাত্রীর দেয়া কিংবা অপরিচিত কারো প্রদত্ত খাবার গ্রহন করবেন না।

৬. সম্ভব হলে বাসা থেকে দেয়া পানি ও শুকনো খাবার সাথে রাখুন।

৭. পথে যাত্রাবিরতির ব্যবস্থা থাকলে- ছিনতাই-মলম ও টানা-পার্টির হয়রানিসহ নানা ধরনের ঝুঁকি, নিজের ব্যাগ ও জিনিসপত্রের উপর নজর রাখুন।

৮. অন্যের দেয়া ব্যাগ যাচাই না করে কখনো বহন করবেন না। অপরিচিতদের দেয়া ব্যাগ পরিবহন করবেন না। ব্যাগে মাদক, বোমা, অস্ত্র, মদ, চোরাই জিনিস থাকতে পারে।

৯. গাড়িতে বমি করার প্রবণতা থাকলে অবশ্যই বমি-নিরোধক ট্যাবলেট এবং প্লাস্টিক/পলিথিনের ব্যাগ সাথে রাখুন।

১০. ফেরি পারাপারের সময়, পেট্রোল পাম্পে পেট্রোল নেয়ার সময় গাড়ি থেকে নামুন।