উন্নত দেশ গড়তে সম্মিলিতভাবে কাজ করুন: প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক :     প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রেখে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। বাংলাদেশকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করতে যার যার অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে। উন্নয়নশীল বাংলাদেশকে উন্নত দেশের কাতারে নিতে সবাইকে সম্মিলিত ভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

মঙ্গলবার গণভবনে পেশাজীবীদের সম্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিল পূর্ব সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। পরে শিক্ষক, প্রকৌশলী, চিকিত্সক, কৃষিবিদ, আইনজীবী, ব্যবসায়ী, কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, ক্রীড়াবিদসহ বিভিন্ন পেশার মানুষের সঙ্গে তিনি ইফতার করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতির আগ্রাসন থেকে মুক্ত রেখে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন করে যাচ্ছে তাঁর সরকার। এখন সময় দেশকে বিশ্ববাসীর সামনে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করার। এই বাংলাদেশটাকে আমরা যেন উন্নত, সমৃদ্ধ একটা সোনার বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলে বিশ্বব্যাপী মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করতে পারি। তিনি বলেন, এরই মধ্যে বাংলাদেশ সারা বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। বাংলাদেশের জনগণের কাছে আমি কৃতজ্ঞ যে তারা আমাকে তাদের সেবা করার সুযোগ দিয়েছে বলেই আজকে সর্বক্ষেত্রে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এই অগ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রা যেন অব্যাহত থাকে সেই কামনা করি।

প্রধানমন্ত্রী সবাইকে রমজানের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ আজকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় যেন উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে পারি আমাদের সকলকে সেই প্রচেষ্টা চালাতে হবে। তিনি আরো বলেন, শান্তি ছাড়া উন্নতি সম্ভব নয়। বাংলাদেশ উন্নত সমৃদ্ধ শান্তির দেশ হিসেবে গড়ে উঠুক সেটাই আমদের লক্ষ্য।

ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এম আখতারুজ্জামান, এটর্নি জেনালে মাহবুবে আলম, দৈনিক জনকণ্ঠের উপদেষ্টা সম্পাদক তোয়াব খান, বিচারপতি মেজবাহউদ্দিন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক উপদেষ্টা ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন, এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম প্রমুখ।

এছাড়া পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদ, বাংলাদেশ মেডিক্যাল এসোসিয়েশন, কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ, স্বাধীনতা চিকিত্সক পরিষদ, জাতীয় প্রেসক্লাব, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, এফবিসিসিআই, বিজিএমইএ এবং সেক্টর কমান্ডার ফোরামের নেতারা প্রধানমন্ত্রীর ইফতার মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন।