ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে বাংলাদেশ

নিউজ ডেস্ক:     ওয়েস্ট ইন্ডিজকে উড়িয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে বাংলাদেশ। ট্রফির লড়াইয়ে ফাইনালে এই উইন্ডিজের বিপক্ষেই লড়বেন টাইগাররা। এখন পর্যন্ত কোনো ম্যাচ না জিতেই সিরিজ থেকে ছিটকে গেছে স্বাগতিক আয়ারল্যান্ড।

ডাবলিনের মালাহাইড ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ক্যারিবীয়দের পাঁচ উইকেটে হারিয়েছে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা। ২৪৮ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে ১৬ বল হাতে রেখেই বাংলাদেশ জয় নিশ্চিত করে।

সর্বোচ্চ ৬৩ রান করেন মুশফিকুর রহিম। ১১৫ বলে ৫টি চার ও ১টি ছয়ের মারে নিজের ইনিংসটি সাজান এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান আসে সৌম্য সরকারের ব্যাট থেকে। ৫৪ রান করে সৌম্য সাজঘরে ফিরে যান । এই বাঁহাতি ওপেনার ইনিংসটি সাজান ৬৬ বলে ৪টি চার ও ২টি ছয়ের মারে।

এ ছাড়া মোহাম্মদ মিথুন ৪৩, সাকিব আল হাসান ২৯ রান করে সাজঘরে ফিরেন। মাহমুদুল্লাহ ৩০ ও সাব্বির ০ রানে অপরাজিত থাকেন।

এর আগে টসে হেরে মাশরাফি-মোস্তাফিজের অগ্নিঝরা বোলিংয়ে টাইগাররা উইন্ডিজদের আটকে রেখেছে আড়াইশ রানের মধ্যেই। আগে ব্যাটিং করে নির্ধারিত ওভার শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৪৭ রান তোলে ক্যারিবীয়রা।

বরাবরের মতো শাই হোপ দুর্দান্ত খেলেছেন। বাংলাদেশকে পেলেই যেন জ্বলে ওঠেন এই ক্যারিবীয় ওপেনার। মাশরাফি-মোস্তাফিজদের বলই যেন খেলতে ভালোবাসেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান।

পারফর্মেন্সই বলে দিচ্ছে সব, টাইগারদের বিপক্ষে এই ম্যাচসহ শেষ পাঁচ ম্যাচে তিনটিতেই পেয়েছেন সেঞ্চুরি। একটিতে আউট হয়েছেন হাফ-সেঞ্চুরির কাছে গিয়ে। এই ম্যাচে করেছেন ৮৭ রান। অধিনায়ক হোল্ডার করেন ৬২ রান। এ ছাড়া আম্ব্রিস ২৩ ও রোস্টন চেজ ১৯ রান করে সাজঘরে ফিরেন।

টাইগারদের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন মোস্তাফিজুর রহমান ও মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা। ফিজ ৯ ওভার বোলিং করে ৪৩ রান দিয়ে চার উইকেট নিয়েছেন। অথচ এর আগের ম্যাচে ১০ ওভারে ৮৪ রান দিয়েছিলেন কাটার মাস্টার। মাশরাফি গত ম্যাচের মতো এই ম্যাচেও ছিলেন দুর্দান্ত। ১০ ওভার বল করে ৬০ রান দিয়ে নিয়েছেন তিন উইকেট।

সবচেয়ে কৃপণ বোলিং করেছেন সাকিব আল হসান। ১০ ওভারে এক মেইডেনসহ মাত্র ২৭ রান দিয়ে নিয়েছেন ১ উইকেট। এ ছাড়া মিরাজ ৪৩ রান দিয়ে নিয়েছেন একটি উইকেট।