নুসরাত হত্যা: এডিসি ও এসপি-ওসির গাফিলতি, শাস্তির সুপারিশ

নিউজ ডেস্ক:   ফেনীর মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় এসপি, এডিসি, ওসিসহ স্থানীয় প্রশাসনের গাফিলতির প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ সদর দপ্তরের তদন্ত কমিটি। এ জন্য জেলার পুলিশ সুপার, সোনাগাজী থানার ওসির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করেছে তদন্ত দল। মঙ্গলবার রাতে ওই প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়।

তদন্ত কমিটির প্রধান ডিআইজি এস এম রুহুল আমিন বলেন, তদন্তে যা যা পেয়েছি এবং যাদের গাফিলতি পেয়েছি তাদের নাম উল্লেখ করেছি।

পুলিশ সদর দফতর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ফেনীর পুলিশ সুপার (এসপি) এস এম জাহাঙ্গীর আলম সরকার, সোনাগাজী থানার তখনকার ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন, উপপরিদর্শক মো. ইকবালের গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

এছাড়া মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি) পিকেএম এনামূল করিমেরও গাফিলতি ছিল বলেও জানিয়েছে তদন্ত কমিটি। পুলিশ প্রশাসনের যাদের বিরুদ্ধে গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেছে, তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

৬ এপ্রিল সকালে আলিম পরীক্ষা দিতে সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসায় যান নুসরাত জাহান রাফি। তাকে কৌশলে ছাদে ডেকে নিয়ে অধ্যক্ষ সিরাজউদ দৌলার বিরুদ্ধে করা শ্লীলতাহানির মামলা তুলে নিতে চাপ দেওয়া হয়। এতে অস্বীকৃতি জানালে তার গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ১০ এপ্রিল রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে মারা যান নুসরাত।