নারীদের নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে হবে

সুমন দত্ত : দেশের রেমিটেন্স প্রেরণে নারী শ্রমিকের অবদান কম নয়। এদের নিরাপত্তা নিয়ে সকলকে ভাবতে হবে। নারী কর্মজীবীদের বিশেষ করে গার্মেন্টস কর্মীদের নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে হবে। তাদেরকে সঠিক প্রশিক্ষণ দিয়ে বিদেশে প্রেরণ করতে হবে। সঠিক ভাষা জ্ঞান ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমেই নারীরা বিদেশে নিরাপদ জীবন যাপন করতে পারে। এর অন্যথায় হলে নারীদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়ে।

বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সঠিক নিয়ম মেনে ও নিরাপদ অভিবাসনের উপর একটি রিসার্চ শেয়ারিং সেমিনারে এসব কথা বলেন কর্মজীবী নারী সংগঠনের সদস্যরা। এদিন অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সভাপতি প্রতিমা পাল মজুমদার, বিশিষ্ট নারী নেত্রী শিরিন আখতার এমপি, বাংলাদেশ জার্মান টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারের প্রধান শিক্ষক রিনা আকতার জাহান, সাবিহা সুলতানা, ফওজিয়া শাহনাজ।

প্রতিমা পাল মজুমদার বলেন, বিদেশে নারীরা নির্যাতিত হচ্ছে, এমন খবরই আমরা পাই। আমরা কি এর বিপরীত খবরটা পাই না? সবাই কি নির্যাতনের শিকার? অনেকে ভালো আয় করছেনে বিদেশে গিয়ে। সেটাও আমদের গবেষণায় আনতে হবে এবং তা বলতে হবে।

শিরিন আকতার বলেন, হিজাব পড়েও আজকের সমাজ নারীদের রক্ষা করতে পারে না। নুসরাত হত্যার মধ্যে দিয়ে এটা আবারও জানা গেল। নারীদের প্রতি মনোভাব আমাদের বদলাতে হবে। নারীদের নিরাপত্তার কথা আমাদের ভাবতে হবে।

সাবিহা সুলতানা বলেন, দেখা গেছে কোনো নারী তার স্বামীকে বিদেশ থেকে টাকা পাঠিয়েছেন। আর স্বামী দেশে আরেকটি বিয়ে করে বসে আছে। অনেক সময় দেখা গেছে নারী যে হিসাবে টাকা পাঠান সেই টাকা স্বামী কিংবা পরিবারের আরেকজন তা উঠিয়ে নিয়ে গেছে। তাই নারীদের উচিত তাদের উপার্জন করা সবকিছু দেশে না পাঠিয়ে কিছু নিজের জন্য রেখে দিন। পাশাপাশি দুটো হিসাব খুলুন। একটি নিজের নামে আরেকটি যাকে তিনি বিশ্বাস করেন তার নামে।

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকানিউজ২৪ডটকম