গৌরীপুরে শিক্ষা অফিসারের গাফিলতিতে বৈশাখী ভাতা পাননি শিক্ষকরা

শফিকুল ইসলাম মিন্টু, গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা: উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার গাফিলতির কারণে ময়মনসিংহের গৌরীপুরের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় এক হাজার শিক্ষক বৈশাখী উৎসব ভাতা পায়নি। ফলে অধিকাংশ শিক্ষক সার্বজনিন বৈশাখী উৎসবের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। ভাতা না পাওয়ায় শিক্ষকদের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।

জানা যায়, উপজেলায় ১৭৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এসব বিদ্যালয়ে ৯৯৮জন শিক্ষক কর্মরত আছেন। প্রতিবছর পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে শিক্ষকরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষিত বৈশাখী ভাতা পেয়ে থাকেন। কিন্তু এবছর উপজেলা শিক্ষা অফিসারের গাফিলতির কারণে শিক্ষকরা ভাতা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন এমন অভিযোগ স্থানীয় শিক্ষকদের। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একাধিক শিক্ষক ও তাদের স্বজনরা ক্ষুব্দ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

এ বিষয়ে গৌরীপুর পৌর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক একেএম মাজহারুল আনোয়ার ফেরদৌস বলেন, উপজেলা শিক্ষা অফিসে অফিস সহকারি ও হিসাবরক্ষক পদে লোক না থাকায় শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতার ফাইলটি তৈরি করতে বিলম্ব হওয়ায় ১৪ এপ্রিলের পূর্বে কোনো শিক্ষক ভাতা পায়নি।আজ ( সোমবার) শোনেছি বৈশাখী ভাতা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে। মঙ্গলবার হয়তো তুলতে পারবো।

চান্দের সাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসরিন বিনতে ইসলাম জানান, উপজেলা শিক্ষা অফিসারের গাফিলতির কারণে বৈশাখী ভাতা বঞ্চিত হয়েছে শিক্ষকরা। যার ফলে প্রাথমিক শিক্ষক ও তাদের পরিবার বাংলা নববর্ষের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

সোমবার সন্ধ্যায় এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা শিক্ষা অফিসার শফিকুল ইসলাম খান বলেন, শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতা দেয়া হয়েছে। তবে ১এপ্রিল থেকে অফিসে অফিস সহকারি ও হিসাবরক্ষক পদে লোক না থাকায় শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতার ফাইলটি তৈরি করতে বিলম্ব হয়েছে।

ঢাকানিউজ২৪ডটকম/জাহিদ।