বাংলাদেশের তরুণ গবেষকদের ব্যতিক্রমী পদযাত্রা শুরু

মোহাম্মদ এম আর মাসউদঃ বাংলাদেশের তরুণ গবেষকদের ব্যতিক্রমী পদযাত্রা শুরু করলো Undergraduate Research Organization

Undergraduate Research Organization বাংলাদেশে প্রথম বায়োমেডিকাল রিসার্চ প্লাটফর্ম, যেটা আন্ডারগ্রাজুয়েট ছাত্রদ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। বাংলাদেশে প্রথম আন্ডারগ্রেড পর্যায়ে বিশ্বামানের গবেষণা যে সম্ভব সেটা প্রমাণ করেছিলেন প্রতিষ্টানটির প্রতিষ্টা প্রধান মোহাম্মেদ এ. মামুন। তাই প্লাটফর্মটির নাম রাখা হয়েছে আন্ডারগ্রাজুয়েট শব্দটি। আর এ অর্গানাইজেশন থেকে প্রকাশিত সব গবেষণাপত্রগুলোই ভালো মানের ইম্প্যাক্ট ফ্যাক্টরযুক্ত জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। কারণ, তারা কোয়ালিটি রিসার্চে বিশ্বাসী। অর্গানাইজেশনটির রিসার্চ কোলাবোরেশন আমেরিকা ও যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে, তবে উল্লেখযোগ্য কোলাব্রেটর হচ্ছে Prof. Mark D Griffiths (Nottingham Trent University, UK) আর Prof. David Gozal (University of Missuori, USA)। যাদের কাছে অর্গানাইজেশনের গবেষকদের উচ্চশিক্ষার সুযোগও আছে।

আজ বিকালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণাপ্রেমি কিছু তরুণদের নিয়ে ভিন্ন ধারার রিসার্চ ট্রেইনিংর ব্যবস্থা করেন অর্গানাইজেশনটি। অর্গানাইজেশন প্রধান মামুন বলেন, আমদের দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়েই রিসার্চ মেথডোলোজির কোর্স করানো হয়, কিন্তু কয়জনই বা গবেষক হচ্ছে? তাই আমি Paper-based Research Learning কোর্স চালু করছি, যেটা বাংলাদেশে প্রথম – আর এই পদ্ধতিতে একজন নবীনকে রিসার্চ প্লানিং থেকে প্রকাশ করার পর্যন্ত সব ধাপে ট্রেইন করা হবে। আর আমি মনে করি, এই ভিন্নধর্মী গবেষণা পদ্ধতি বাংলাদেশে তরুণদের আরও বেশি গবেষণায় আকৃষ্ট করবে।

আজকের আলোচনায় প্রধান অতিথি ছিলেন মোঃ ইশতিয়াক রায়হান শুভ, প্রভেষক, বশেমুরবিপ্রবি। তিনি গবেষণার বিভিন্ন দিক, ধারা, গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। আলোচনায় আরো আরও উপস্থিত ছিল বিভিন্ন ক্যাম্পাস থেকে আগত নতুন গবেষণাপ্রেমি তরুণরা, যাদেরকে ট্রেইন দিয়ে বৈশ্বিকমানের গবেষক বানানো হবে।

মামুন ও তার অর্গানাইজেশন স্বপ্ন দেখেন তাদের হাত ধরে এদেশে একদিন বায়োমেডিকাল রিসার্চ সেক্টর অনেক এগিয়ে যাবে। আর এই প্লাটফর্মের মাধ্যমে অনেকের গবেষণা ও উচ্চশিক্ষার সুযোগ হবে।