ভূমি বিরোধের দ্রুত নিষ্পত্তি চাই

সুমন দত্ত: ভূমির মালিকানা ও তার ব্যবহার নিয়ে দেশে শুরু হয়েছে ভূমি বিরোধ। পুরাতন বিরোধের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নতুন বিরোধ। তার ওপর যোগ হয়েছে রাজউকের মত সরকারির প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক মনোবৃত্তি। ভূমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ আজ চরমে। জমি কিনে কেউ দখল নিতে পারছে না। আবার জমির মালিক সেজে বসে আছে অন্য কেউ। বড় বড় রিয়েল এস্টেট কোম্পানি সময়মত প্লট কিংবা ফ্লাট মালিকদের বুঝিয়ে দিতে পারছেন না। এসব সমস্যার দ্রুত সমাধানে নতুন দায়িত্ব নেয়া ভূমি মন্ত্রী সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করে সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে বাংলাদেশ ভূমি অধিকার সংরক্ষণ জাতীয় কমিটি। তারা ভূমি বিরোধের দ্রুত নিষ্পত্তি চায়।

অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করে এম দেলোয়ার হোসেন। তিনি সংগঠনের আহবায়ক। এদিন তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সরকারের সাবেক ভূমি সচিব ও আইনজীবীরা।

দেলোয়ার হোসেন বলেন, বাংলাদেশে জমিদারি প্রথা উচ্ছেদের পর যারা ভূমির মালিক হয়েছিলেন তাদের নামের তালিকা ধরে ভূমির উত্তরাধিকারীদের সম্পত্তি বুঝিয়ে দিতে হবে। তহশিলদারদের দুর্নীতির কারণে বহু সম্পত্তির মালিকানা বদল হয়ে গেছে। এ ধরনের সম্পত্তির মধ্যে অর্পিত সম্পত্তি, বিনিময় সম্পত্তি, পরিত্যক্ত সম্পত্তি রয়েছে। এসব সম্পত্তির বিরোধ ট্রাইব্যুনাল করে নিষ্পত্তি করতে হবে।

রাজউক সম্পর্কে বলা হয়, তারা যেকোনো একটি কাজের দায়িত্ব নিক। হয় তারা জমি কেনা বেচার কাজে থাকুক নতুবা তারা জমির মনিটরিংয়ের কাজ করে যাক। একই সংস্থা দুটো কাজ এক সঙ্গে করতে পারে না। পূর্বাচলের প্রজেক্ট আজও তারা বাস্তবায়ন করতে পারেনি।

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকানিউজ২৪ডটকম