সঠিক ইতিহাস বলে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান দিতে হবে

সুমন দত্ত : মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। তাই সঠিক ইতিহাস চর্চার মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ও মূল্যায়ন করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে মুক্তিযোদ্ধাদের দাবি দাওয়া মেটানো রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব।

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান, কল্যাণ ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতিরোধ ঐতিহ্য ও স্মৃতি সংরক্ষণ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন মুক্তিযোদ্ধা ফাউন্ডেশনের নেতৃত্ববৃন্দ।

অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধাদের দাবিগুলো পড়ে শোনান অধ্যক্ষ মো. গাজী দেলওয়ার হোসেন। তিনি মুক্তিযোদ্ধা ফাউন্ডেশনের সভাপতি।

তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস শোনাতে হবে। তাদেরকে বহুদিন এই ইতিহাস থেকে দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছিল। বিশেষ করে ১৯৭৫ সালে জাতির জনককে হত্যার পর এদেশে ৭ মার্চের ভাষণ নিষিদ্ধ হয়ে গিয়েছিল। আজ সবাই এসব জানতে পারছে বুঝতে পারছে। তারপরও একটি বিশেষ মহল মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি করে যাচ্ছে।

মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক ভাতা দিগুণ করতে হবে, তাদেরকে ৫টি উৎসব ভাতার সমপরিমাণ অর্থ দিতে হবে। মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের বিশেষ ব্যবস্থায় সরকারি চাকরিতে নিয়োগ দিতে হবে। গণপরিবহনে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আসন বরাদ্দ রাখতে হবে এবং তা বিনামূল্যে করতে হবে। হাসপাতালে মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসায় সহায়তা দিতে হবে। বিনামূল্যে ওষুধ দিতে হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের নামে বিশেষ সড়ক ও প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করতে হবে।

এদিন বিভিন্ন এলাকার মুক্তিযোদ্ধারা তাদের যুদ্ধকালীন স্মৃতিচারণ করেন। সে সময় কীভাবে তারা সংবাদ পেত। কারা কি প্রচারে ব্যস্ত ছিল এসব কথা সবার সঙ্গে শেয়ার করেন।

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকানিউজ২৪ডটকম