বিজিএমইএ নির্বাচন আজ

নিউজ ডেস্ক:    দীর্ঘ ৬ বছর পর আজ অনুষ্ঠিত হবে তৈরি পোশকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইর নির্বাচন। এতে অংশ নিচ্ছে স্বাধীনতা পরিষদ ও সম্মিলিত ফোরাম। পূর্বের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বিজিএমইএর নির্বাচনকেন্দ্রিক বড় দুই জোট সম্মিলিত পরিষদ ও ফোরাম সমঝোতার মাধ্যমে একটি প্যানেল দিয়েছে।

এর বিপরীতে নানা চড়াই-উতরাইয়ের পর নতুন জোট স্বাধীনতা পরিষদ শেষ পর্যন্ত প্যানেল দিয়ে সরাসরি ভোটের পথ উন্মোচন করেছে। নতুন প্যানেল হওয়ায় স্বাধীনতা পরিষদ চট্টগ্রাম অঞ্চলে প্রার্থী দিতে পারেনি। এর ফলে সম্মিলিত ফোরামের ৯ প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন।

চট্টগ্রাম অঞ্চলে ভোট না থাকায় কেবল ঢাকা অঞ্চলের ২৬ পরিচালক পদের বিপরীতে দুই প্যানেলের ৪৪ জন প্রার্থী লড়ছেন। এই ২৬ পরিচালক নির্বাচনের জন্য ঢাকা ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিজিএমইএর কার্যালয়ে সকাল আটটা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট হবে। মোট ভোটার ১ হাজার ৯৫৬ জন। তার মধ্যে ঢাকার ১ হাজার ৫৯৭ এবং ৩৫৯ জন চট্টগ্রামের। বিজিএমইএর পরিচালক পদের সংখ্যা ৩৫।

সম্মিলিত ফোরামের প্যানেল লিডার মোহাম্মদী গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুবানা হক আমাদের সময়কে বলেন, ভোটারদের কাছে আমরা ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। সাধারণ ভোটাররা আমাদের পাশে আছেন। তারা আশ্বস্ত করছেন। তারা সম্মিলিত ফোরাম প্যানেলকে বিজয়ী করবেন বলে আমার বিশ্বাস। স্বাধীনতা পরিষদের আহ্বায়ক মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সাধারণ ভোটাররা অত্যন্ত খুশি। কারণ হচ্ছে, তারা দীর্ঘ বছর পর ভোট দিতে পারছেন। বিজিএমইএতে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে ভোটাররাই তাদের পছন্দের প্রার্থীকে জয়ী করবেন। বিজিএমইএর নেতা নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আসুক, এটা সাধারণ ভোটাররা চান।

তিনি বলেন, সাধারণ ভোটারদের ইচ্ছায়ই প্যানেল দিয়েছি। তারাই বিবেচনা করবেন। সম্মিলিত ফোরামের প্রার্থীরা হলেন রুবানা হক, এসএম মান্নান, ফয়সাল সামাদ, মোহাম্মদ নাছির, আসিফ ইব্রাহিম, আরশাদ জামাল, এমএ রহিম, কেএম রফিকুল ইসলাম, মো. শহীদুল হক, মশিউল আজম, ইনামুল হক খান, মাসুদ কাদের, ইকবাল হামিদ কোরাইশী, নাছির উদ্দিন, কামাল উদ্দিন, সাজ্জাদুর রহমান মৃধা, রেজওয়ান সেলিম, মুনির হোসেন, একেএম বদিউল আলম, মিরান আলী, মোহাম্মদ আবদুল মোমেন, মোশারফ হোসেন ঢালী, শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী, মহিউদ্দিন রুবেল, শরীফ জহির ও নজরুল ইসলাম। চট্টগ্রাম অঞ্চলে এই প্যানেলের বিজয়ীরা হলেন মোহাম্মদ আব্দুস সালাম, এএম চৌধুরী, এএম মাহবুব চৌধুরী, এনামুল আজিজ চৌধুরী, মোহাম্মদ আতিক, খন্দকার বেলায়েত হোসেন, অঞ্জন শেখর দাশ, মোহাম্মদ মুছা ও মোহাম্মদ মেরাজ-ই-মোস্তফা।

অন্যদিকে স্বাধীনতা পরিষদের প্রার্থীরা হলেন জাহাঙ্গীর আলম, দেলোয়ার হোসেন, হুমায়ুন রশিদ, রফিক হাসান, সাইফুল ইসলাম, শওকত হোসেন, খন্দকার ফরিদুল আকবর, জাহাঙ্গীর কবির, জাহিদ হাসান, শরিফুল আলম চৌধুরী, কাজী আবদুস সোবহান, জহিরুল ইসলাম, কাজী মাহয্যাবিন মমতাজ, মাহমুদ হোসাইন, হোসেন সাব্বির মাহমুদ, আয়েশা আক্তার, মো. ওয়ালীউল্লাহ এবং ওমর নাজিম হেকমত।