কুরানের হ্যাটট্রিকে নাটকীয় এক জয় পাঞ্জাবের

নিউজ ডেস্ক:   ২৪ বলে দরকার ৩০ রান। হাতে আছে ৭ উইকেট। দিল্লি ক্যাপিটেলসের জয়টা তখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। সেই ম্যাচটিতেই নাটকীয়ভাবে হেরে গেল শ্রেয়াস আয়ারের দল। ১৭ বলের ব্যবধানে ৮ রান তুলতেই তারা হারিয়ে ফেলল শেষ ৭ উইকেট। ফলাফল, হারতে বসা ম্যাচে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব জয়ী ১৪ রানে।

পাঞ্জাবের এই অবিশ্বাস্য জয়ের নায়ক ইংলিশ অলরাউন্ডার স্যাম কুরান। প্রথমে ব্যাট হাতে ওপেনিংয়ে নেমে ১০ বলে ২০ রানের এক ঝড়ো ইনিংস খেললেন। পরে বল হাতে দুর্দান্ত এক হ্যাটট্রিকসহ নিলেন ৪ উইকেট। বোলিং ফিগারটা দেখলেও চোখ কপালে উঠবে যে কারও, ২.২-০-১১-৪!

সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, কুরান নিজেও জানতেন না তার হ্যাটট্রিকটা হয়েছে। হ্যাটট্রিকটা যে হয়েছে দুই ওভারে! ১৮তম ওভারের শেষ বলে হার্শাল প্যাটেলকে উইকেটের পেছনে ক্যাচ বানান ইংলিশ এই পেসার। ২০তম ওভারের প্রথম দুই বলে কাগিসো রাবাদা আর সন্দীপ লামিচানেকে। ততক্ষণে বিজয় উল্লাস শুরু হয়ে গেছে পাঞ্জাবের, হ্যাটট্রিক নিয়ে ভাবার সময় কই!

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেটে ১৬৬ রানের মাঝারি মানের এক সংগ্রহ দাঁড় করাতে পেরেছিল ক্রিস গেইলকে ছাড়া খেলতে নামা কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৩ রান করেন ডেভিড মিলার। ৩৯ রান আসে সরফরাজ খানের ব্যাট থেকে।

দিল্লির পক্ষে ক্রিস মরিস ৩০ রানে নেন ৩টি উইকেট। ২টি করে উইকেট শিকার কাগিসো রাবাদা আর সন্দীপ লামিচানের।

জবাবে একটা সময় ৩ উইকেটেই ১৪৩ রান তুলে ফেলেছিল দিল্লি ক্যাপিটালস, ২৮ রান করা শ্রেয়াস আয়ার আর ৩০ করা শেখর ধাওয়ান ফেরার পরও। ২৬ বলে ৩৯ করে রিশাভ পান্ত মোহাম্মদ শামির বলে আউট হওয়ার পরই যেন মরক লেগে যায় দলটির।

শেষদিকে যখন ২৪ বলে ৩০ লাগে, তখনই উইকেটে ছিলেন সেট ব্যাটসম্যান কলিন ইনগ্রাম। কিন্তু ২৯ বলে ৩৮ করা এই ব্যাটসম্যানকেও ফিরিয়ে দেন কুরান। এরপরই ভোজবাজির মতো পাল্টে যায় ম্যাচের চালচিত্র।

কুরানের ৪ উইকেটের সঙ্গে ২টি করে উইকেট নেন মোহাম্মদ শামি আর রবিচন্দ্রন অশ্বিন।