সাংবাদিক-শ্রমিক-কর্মৃচারী ঐক্য পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত ১৪ দফা দাবিতে বিশাল সমাবেশ

প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক-শ্রমিক-কর্মচারী সমাবেশে অতিথিবৃন্দ

বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবসে‘র আলোচনা সভা ও সাংবাদিক-শ্রমিক-কর্মৃচারী ঐক্য পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত বিশাল সমাবেশ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সাংবাদিক সমাজের জনপ্রিয় নেতা ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোল্লা জাল্লাল। পূর্ণ মিলনায়তনে সাংবাদিক, শ্রমিক, কর্মচারীরা তাদের জীবিকার স্বার্থে সরকারের কাছে জরুরিভিত্তিতে তাদের কিছু মৌলিক দাবীসমূহ যেমন- অবিলম্বে ৯ম ওয়েজবোর্ডের গেজেট প্রকাশ, গণমাধ্যমকর্মী আইন পাশ, সংবাদপত্র ও চ্যানেলে সাংবাদিক-কর্মচারী ছাঁটাই বন্ধকরন, ছাঁটাইকৃতদের পাওনা পরিশোধসহ সংবাদকর্মীদের ১৪ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য ঐক্য পরিষদের নেতাদের নিকট আহ্বান জানান। বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সংগ্রামী নেতা শাবান মাহমুদসহ অন্যান্য সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সাংবাদিক-শ্রমিক-কর্মচারীদের দাবির প্রতি একাত্বতা পোষণ করেন এবং আগামী এক মাসের মধ্যে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিদের সহিত বৈঠক করে দাবিসমূহ বাস্তবায়নের আশু পদক্ষেপ নেবেন। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের আরেক জনপ্রিয় নেতা আব্দুল মজিদ।

বক্তারা অভিযোগ করেন, কিছু মিডিয়ার মালিকগণ তারা সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের ন্যায্য পাওনা পরিশোধ করেন না, বরং অনেকক্ষেত্রে কারন ছাড়াই তাদের ছাঁটাই করছে এবং ছাঁটাইকৃতদের পাওনাও পরিশোধ করা হয়না। এসব অনিয়ম দেখে কিছু কিছু নির্বাচিত সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ তারা এর প্রতিবাদ না করে বরং সেসব মালিকদের সাথে একযোগ হয়ে অন্যায় সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করছেন। ফলে কিছু স্বনামধন্য মিডিয়ার মালিকেরা সুযোগ বুঝে সাংবাদিকদের ন্যায্য অধিকারগুলো থেকে বঞ্চিত রাখছেন। বাংলাদেশে সরকারি-বেসরকারী কোন সেক্টরে এমন বেতম-বৈষম্য লক্ষ্য করা যায়না। ব্ক্তারা অভিযোগ করেন, এক শ্রেণির নওয়াব সাহেবরা সরকারের দায়িত্বশীল কর্তাব্যক্তিদের ভুল বুঝিয়ে সাংবাদিক পেশাজীবিদের অধিকারগুলোকে জিইয়ে রাখার চেষ্টা করছেন এবং সংবাদপত্র শিল্পকে ধ্বংস করার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে মাননীয় সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুর কাদেরের আশু রোগমুক্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।