যক্ষ্মা নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতি

সুমন দত্ত: যক্ষ্মা রোগ নির্মূলে সরকার কাজ করছে। এসেছে উন্নত জিন এক্সপার্ট মেশিন। এই যন্ত্রের সাহায্যে অন্য যোকোন সময়ের চাইতে যক্ষ্মা ধরা পড়ার হার বেড়েছে। সরকার যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে জিরো টলারেন্স নিয়েছে। আগামীতে একজন যক্ষ্মা রোগীকে দেশে খুঁজে পাওয়া যাবে না। এই লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস উপলক্ষে এসব কথা বলেন সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেয়া বক্তারা। এদিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি অস্কার কর্ডন, আইসিডিআরবির জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী, ড. সায়রা বানু, নাটাবের প্রেসিডেন্ট মোজাফফর হোসেন পল্টু, আইআরডি কান্ট্রি ডাইরেক্টর তাপস রায়, ডেমিয়ান ফাউন্ডেশনের ড. অং তে জেই মগ, ব্র্যাকের পরিচালক আকরামুল ইসলাম।

অস্কার কর্ডন বলেন, অনুষ্ঠানে যক্ষ্মা নিয়ে প্রেজেন্টেশন দেখানো হলো তা চমৎকার। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশকে টার্গেট করেই যক্ষ্মা বিষয়ে কাজ করে যাচ্ছে। সবাই যক্ষ্মা সম্পর্কে সচেতন হতে হবে।

সায়রা বানু বলেন, যক্ষ্মা সম্পর্কে চিকিৎসা বিনামূল্যে দেয়া হয়। দেখা গেছে অনেকে জানেন না যক্ষ্মার চিকিৎসা ও ওষুধ কোথায় দেয়া হয়। তাই প্রচার মাধ্যমকে এ বিষয়ে এগিয়ে আসতে হবে।

তাপস রায় বলেন, যক্ষ্মা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিসহ সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।

মোজাফফর হোসেন পল্টু বলেন, যক্ষ্মা এখন অনেকটাই নির্মূল হয়ে গেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যক্ষ্মা সম্পর্কে জাতিসংঘে আলাদা ভাবে সেমিনার করেছেন। তাই যক্ষ্মা সম্পর্কে জিরো টলারেন্স নিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

অনুষ্ঠানে যক্ষ্মা সম্পর্কে দেশের তথ্যচিত্র তুলে ধরা হয়। দেশ কতটা যক্ষ্মা রোগ নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে তার একটি সচিত্র প্রতিবেদন দেখানো হয়। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের কথাও সেখানে জানানো হয়। রোগ নির্ণয়ে দেশি বিদেশি সহযোগিতার কথাও বলা হয়।

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকানিউজ২৪ডটকম