সরকারী ক্রয় নীতিমালা অনুসরন করেই কুলাউড়ার ব্রাহ্মণ বাজার ইজারা প্রদান করা হয়েছে:ইউএনও আবুল লাইছ

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি :: জেলার কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবুল লাইছ ব্রাহ্মণবাজার ইজারা প্রদানে অপপ্রচার প্রসঙ্গে জানান ব্রাহ্মণবাজার ইজারা সরকারী ক্রয় আইন (পিপিএ) ২০০৬ এবং সরকারী ক্রয় বিধিমালা (পিপিআর) ২০০৮ পুরোপুরি অনুসরণ করেই ্্ইজারা প্রদান করা হয়েছে। ইজারা প্রদানে নীতিমালার কোন ব্যত্যয় হয়নি। একটি মহলের স্বার্থহানি হওয়ায় তারা সরকারী সংশ্লিষ্ঠ আইন ও বিধি-বিধান না জেনেই নীতিমালা লংঘন হয়েছে মর্মে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে।

তিনি জানান সরকারী কোন ক্রয়ে দরপত্রে অংশগ্রহণকারীদের প্রস্তাবিত দরমূল্য সমান হলে সরকারী ক্রয় বিধিমালা ২০০৮ এর ৩৩ বিধি অনুযায়ী লটারীর কোন সুযোগ নেই মর্মে উল্লেখ রয়েছে। সেক্ষেত্রে উক্ত বিধিমালার বিধি ৯৮ এর উপবিধি (২) ও (২ক) সর্বশেষ সংশোধিত ১০জুন ২০১৮ অনুযায়ী দরদাতা সংশ্লিষ্ট ক্রয়কারী সংস্থা (উপজেলা নির্বাহী অফিসার, কুলাউড়া) এর আওতায় বিগত ৫ বছরে কতগুলি চুক্তির সফল বাস্তবায়ন করেছেন এর সংখ্যা বিবেচনা করার নির্দেশনা রয়েছে। দরপত্র এবং চুক্তি সংখ্যাও সমান হলে চুক্তিমূল্য বিবেচনা করার কথা রয়েছে। উল্লেখ্য ১৪২৬ বাংলা সনের জন্য ব্রাহ্মণবাজার ইজারাপ্রাপ্ত নাহিদ হোসেন বিগত ৫ বছরে ব্রাহ্মণবাজার একবার ইজারা নিয়েছেন।

অপরদিকে একই দর প্রদানকারী নুরুল ইসলাম ইতিপূর্বে কখনো ব্রাহ্মণবাজার বা উপজেলা নির্বাহী অফিসার, কুলাউড়া এর অধীন কোন দরপত্রে অংশগ্রহণ করার অভিজ্ঞতা নেই। ফলে সরকারী ক্রয় আইন অনুযায়ী নাহিদ হোসেনই পাওয়ার যোগ্য। অন্যদিকে উভয় দরপত্র দাতার প্রস্তাবিত দর সরকারী দরের বেশী হওয়ায় হাট বাজার (স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা) আইন ২০১৮ অনুযায়ী পূনঃদরপত্র আহবানের সুযোগ নেই। এছাড়া দরপত্র দাখিলের পর কেউ বেশী দর প্রদানের প্রস্তাব করলে তা আইনত গ্রহণযোগ্য নয়।