দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে শপথ : কী আছে সংবিধানে

নিউজ ডেস্ক:  জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন প্রধান বিরোধী জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট থেকে নির্বাচিত গণফোরামের দুই প্রার্থী সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ ও মোকাব্বির খানের শপথ নিয়ে বেশ ক’দিন ধরেই রাজনৈতিক মহলে চলছে বেশ আলোচনা-পর্যালোচনা। অবশেষে দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করেই শপথ নিয়ে নিলেন ধানের শীষ নিয়ে জয়ী হওয়া সুলতান মুনসুর। অপর প্রার্থী মোকাব্বিরও আজই শপথ নেয়ার কথা শোনা গেলেও এখন পর্যন্ত তিনি শপথ নেননি।

এখন প্রশ্ন উঠেছে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে এ শপথ কতটা যুক্তিযুক্ত? সংবিধানেই বা কী রয়েছে?

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট মোট ৮টি আসনে জয়ী হয় ৩০ ডিসম্বেরের সংসদ নির্বাচনে। এরমধ্যে বিএনপি পায় ৬টি আসন। আর গণফোরাম পায় দু’টি। গণফোরামের সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ মৌলভীবাজার-২ আসন থেকে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে বিএনপি’র ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে জয়ী হন। সিলেট-২ আসন থেকে গণফোরাসের উদীয়মান সূর্য প্রতীক জয়ী হন মোকাব্বির খান। অনেক নাটকীয়তার পর তারা জাতীয় সংসদের স্পিকারকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছিলেন যে, তারা ৭ মার্চ সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিতে চান। স্পিকারের কার্যালয় থেকেও সেরকম প্রস্তুতি নেয়া হয়। নিজের সিদ্ধান্ত অনুসারে আজ সকাল সোয়া ১০টার দিকে শপথ নেন সুলতান মুনসুর।

তারা শপথ নেবেন বলে এর আগে সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েও ছিলেন তারা। কিন্তু তখন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হেসেন সংবাদ সম্মেলন করে স্পষ্টই জানিয়ে দেন যে, তারা শপথ নেবেন না। শপথ না নেয়ার সিদ্ধান্ত বহাল আছে।

৩০ জানুয়ারির নির্বাচনকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট আগেই প্রত্যাখ্যান করে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নতুন নির্বাচনের দাবি জানায়। আর আর বিএনপিসহ ঐক্যফ্রন্ট থেকে যে ৮ জন নির্বাচনে জয়ী হয়েছে তারা শপথ নেবেন না বলে সিদ্ধান্ত জানানো হয়।