হারিয়ে যাচ্ছে বসন্তের আমেজ

নিউজ ডেস্ক: ফাল্গুনের এই সময়টাতেও গতিপথ বদলেছে আবহাওয়া। কখনো রোদ আবার কখনো বৃষ্টি। বইছে শীতের হাওয়া। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে হারিয়ে যাচ্ছে বসন্তের আমেজ।

আবহাওয়ার দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে সারাদেশে স্বাভাবিকের চেয়ে ১৬২ ভাগ বেশি বৃষ্টি হয়েছে। অন্যদিকে, ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে কিছু কিছু জায়গায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেছে। এরমধ্যে ৫ ফেব্রুয়ারি দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ২ ডিগ্রি রেকর্ড করা হয়েছে। মার্চ মাসে সামগ্রিকভাবে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে।

এ মাসে দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে এক থেকে দুইদিন মাঝারি বা তীব্র কালবৈশাখী বা বজ্রঝড় ও দেশের অন্য এলাকায় ২ থেকে ৩ দিন হালকা বা মাঝারি কালবৈশাখী বা বজ্রঝড় হতে পারে। এর পাশাপাশি বাড়তে থাকবে তাপমাত্রা। এ সময় দিনের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে বেড়ে প্রায় স্বাভাবিক (৩৪ থেকে ৩৬) ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হতে পারে। দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা ৩৭ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে।

ইতোমধ্যে দমকা হাওয়াসহ বর্ষণ এবং শিলাবৃষ্টি হয়েছে নগরে। ঝড়ো হাওয়ায় ভেঙ্গেছে গাছপালা। বুধবার (৬ মার্চ) সকাল থেকে সূর্যের দেখা মিলেনি। আবহাওয়ার এই পরিবর্তনে অনেকটা থমকে গেছে নগরজীবন। দিনমজুরসহ নিম্ন আয়ের মানুষরা পড়েছেন দুর্ভোগে।

সাগর উত্থাল।নগরের আসকার দিঘীর পাড় এলাকায় রাস্তার পাশে ভ্যান গাড়িতে সবজি বিক্রেতা নোয়াখালীর নেজাম উদ্দীন বললেন, আকাশ মেঘলা থাকায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিও হচ্ছে। বেচাবিক্রি কম হচ্ছে।

চকবাজার এলাকায় কাজের সন্ধানে আসা দিনমজুররা জানান, কাজের সময়ে কাজ পাওয়া যাচ্ছে না। একবেলা খেয়ে কোনমতে দিন কাটাতে হচ্ছে।

চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার (৫ মার্চ) নগরে ৩.৪ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। বুধবার (৬ মার্চ) নগরের আকাশ মেঘলা থেকে মেঘাচ্ছন্ন থাকবে। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনাও রয়েছে। দেশের সকল সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।