স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস এবং বই মেলার প্রস্তুতিমূলক সভা

সমরেন্দ্র বিশ্বশর্মা, কেন্দুয়া, নেত্রকোণা : উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস পালন, ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন, উপজেলা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং স্বাধীনতা বই মেলা উপলক্ষ্যে এক প্রস্তুতিমূলক সভা মঙ্গলবার সকাল থেকে ২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল-ইমরানরুহুল ইসলাম।

আগামী ২৪ মার্চ থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত এ দিবসগুলো উদযাপন করা হবে। ২৫ মার্চ গণকবরে শ্রদ্ধা নিবেদন সহ শহীদ মুক্তিযোদ্ধা মুখলেছুর খান পাঠান ও শহীদ মুখলেছুর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা জানাবে উপজেলা প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সহ সকল শ্রেণি পেশার মানুষ। ২৬ মার্চ সকাল থেকে মহান স্বাধীনতা দিবসের
কর্মসূচির শেষে বেলা ৩ টায় স্বাধীনতা বই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে।

এছাড়া অনুষ্ঠিত হবে মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক নাটক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এসব অনুষ্ঠানমালাকে সফল করতে প্রস্তুতিমূলক সভায় বিভিন্ন মতামত তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো: দেলোয়ার হোসেন ভ‚ঞা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোছা: শিরিন সুলতানা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো: জাহাঙ্গীরহোসেন, কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ইমারত হোসেন গাজী, নেত্রকোনা জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি এডভোকেট আব্দুল কাদির ভ‚ঞা, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার মো: বজলুর রহমান, সাবেক কমান্ডার গোলাম জিলানী, কেন্দুয়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক সমরেন্দ্র বিশ্বশর্মা, কেন্দুয়া বাজার কমিটির সভাপতি মো: এনামুল হক ভূঞা, রোয়াইলবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান এস.এম ইকবাল রুমি, উদীচী শিল্পী গোষ্টি কেন্দুয়া শাখার সভাপতি রাখাল বিশ্বাস, উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক সাংবাদিক মো: মহিউদ্দিন সরকার, চর্চা সাহিত্য আড্ডার সমন্বয়কারী জিয়াউর রহমান জীবন, ঝংকার শিল্পীগোষ্টির সভাপতি মো: ফজলুর রহমান, উপজেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক ওয়াহেদুজ্জামান খান পাঠান প্রমুখ।

মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে বিভিন্ন উপ-কমিটি গঠন করা ছাড়াও স্বাধীনতা বই মেলা উদযাপনের জন্য কেন্দুয়া পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি কামরুল হাসান ভ‚ঞাকে আহবায়ক নিযুক্ত করে একটি শক্তিশালী আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। অপর দিকে আগামী ১৭ মার্চ জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯ তম জন্ম বার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস সুষ্ঠু, সুন্দর ও যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের জন্যও বিভিন্ন
কর্মসূচি প্রনয়ন করা হয়। সভার সভাপতি প্রত্যেকটি দিবস, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা এবং স্বাধীনতা বই মেলাকে প্রাণের উৎসব হিসেবে গণ্য করার জন্য সকলকে আন্তরিক সহযোগিতার আহবান জানান।