রাস্তা নির্মানকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বিরাজ করছে

জেলা প্রতিনিধি, কিশোরগন্জ :  হোসেনপুর উপজেলার গোবিন্দপুর চৌরাস্তার বাজারের পশ্চিম পার্শ্বে একটি রাস্তা নির্মানকে কেন্দ্র করে মুখোমুখি অবস্তানে গ্রামবাসি। গ্রামবার্সির পক্ষ থেকে বিষয়টি জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর স্বারক লিপি প্রদান করা হয়েছে। এ থেকে উভয় পক্ষের মধ্যে মারামারি ও সংঘর্শের ঘটনা ঘটতে পারে। এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

উল্লেখ যে বিগত জানুয়ারী মাসে ৬নং ওয়ার্ডের আঃ ছালামের বাড়ি হইতে নরু মুন্সীর বাড়ি প্রর্যন্ত একটি কাবিখা প্রকল্প বাস্তবায়নের অনুমোদন দেওয়া হয়।উত্তেজনা ও স্বরজমিন জরিপের পর তা স্হগিত করা হয়। এলাকা বাসি জানায় একসময় ফসলি ক্ষেতের আইল ও ডুবা/ বিলের পার্শ্ব দিয়ে এলাকার মানুষ চলাচল করত । দীর্ঘ দিন অব্যবহারিত ও সংস্কারের অভাবে প্রায় ৫০বছর পূর্বে হোসেনপুর হইতে নান্দাইল উপজেলার মধ্যবর্তী  গোবিন্দপুর চৌরাস্তা বাজারের পরে উক্ত এলাকা বাসি নিজেদের প্রয়োজনে ও উদোগে আরো একটি রাস্তা তৈরী করে। এই রাস্তাটি বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত হচ্ছে।

কাবিখা প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী যে কোন রাস্তার প্রস্ত-১২ ফিট বাধ্যতা মূলক। সরজমিনে দেখা গেছে উক্ত রাস্তা কোথাও ০৫ ফিট, ১২ ফিট কোথাও কবর স্থান, কোথাও বাড়ি ঘর ও ফসলি ক্ষেত বিধ্যমান। রাস্তাটি নির্মান করতে কবর স্থান উচ্ছেদ, সেচ প্রকল্প উচ্ছেদ, পুরোনো গাছ পালা কর্তন ও বসত বাড়ি ব্যাপক ক্ষতি হবে।

পূর্ব পুরুষের কবরস্থান উচ্ছেদ, গাছ পালা ও বাড়ি ঘরের ক্ষতি সাধন না করে রাস্তাটির সংস্কার করা উচিত। ইতিপূর্বে এলাকা বাসির উদোগে  তৈরী করা নতুন রাস্তাটির সংস্কার ও বর্ধিত আকারে নতুন প্রকল্প প্রদান জোর দাবি জানান। অন্যথায় উক্ত এলাকায় রাস্তা নির্মানকে কেন্দ্র করে সাংর্ঘষিক ঘটনা ঘটতে পারে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি মোবাইল ফোনে বলেন আমি উক্ত এলাকা পরির্দশন করেছি এবং তাদের সমস্যা সমাধানে উভয় পক্ষের সাথে কথা বলেছি। আমি উক্ত এলাকা যোগাযোগ ব্যাবস্থা উন্নয়নে আগ্রহী।