বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পথে ১২২ জন

নিউজ ডেস্ক:  পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম চার ধাপে চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১২২ জন বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। আগামী ১৩ মার্চ চতুর্থ ধাপের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। প্রথম চার ধাপে ৪৫৯ উপজেলায় ৫ হাজার ৮২০ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বলে জানান ইসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

ইসির অতিরিক্ত সচিব মো. মোখলেসুর রহমান বলেন, একক প্রার্থী থাকলে আইন ও বিধি মেনে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হিসেবে ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করা হবে। দেশের ৪৯২ উপজেলায় পাঁচ ধাপে ভোটগ্রহণ হবে। এর মধ্যে চার ধাপে চলতি মাসের ১০, ১৮, ২৪ ও ৩১ মার্চ ৪৫৯ উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। পঞ্চম ধাপের ভোটগ্রহণ হবে ১৮ জুন।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, চার ধাপে ১২২ জন বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পথে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় পার হওয়ার পর প্রথম ধাপে ৩১, দ্বিতীয় ধাপে ২৫, তৃতীয় ধাপে ১৮ জন বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হচ্ছেন। চতুর্থ ধাপে ৪৮ জন একক প্রার্থী রয়েছেন। এ ধাপের প্রত্যাহার ১৩ মার্চ শেষ হলে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। ইসি কর্মকর্তারা জানান, প্রথম চার ধাপে ৪৫৯ উপজেলায় ৫ হাজার ৮২০ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। চতুর্থ ধাপে ১২২ উপজেলায় তিনটি পদে ১ হাজার ৪৪৩ জন মনোনয়নপত্র জমা দেন।

এর মধ্যে চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আরও ৪৮ একক প্রার্থী রয়েছেন, যারা বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। ৩১ মার্চ এসব উপজেলায় ভোট হবে। তফসিল অনুযায়ী, চতুর্থ ধাপে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ছিল ৪ মার্চ।

৬ মার্চ বাছাইয়ের পর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৩ মার্চ। 

এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৪৮৩, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬৭৬ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪৬৭ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তৃতীয় ধাপের ১২৭ উপজেলায় তিনটি পদে ১ হাজার ৬৬৩ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৪৭৬, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭২৬ ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪৬১ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এ ছাড়া চতুর্থ ধাপে ১২২ উপজেলায় তিনটি পদে ১ হাজার ৪৪৩ জন মনোনয়নপত্র জমা দেন। জানা যায়, ২০০৯ সালে ২২ জানুয়ারি এক দিনেই দেশের সব উপজেলায় ভোট হয়।

তাতে ১২ জন বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন। সর্বশেষ ২০১৪ সালে পাঁচ ধাপে ভোট হয়। আওয়ামী লীগ-বিএনপির হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয় দুই ধাপে। শেষে ব্যবধান বাড়িয়ে বেশিরভাগ উপজেলায় জয় পায় আওয়ামী লীগ। এবার প্রথম দলীয় প্রতীকে ভোট হচ্ছে উপজেলায়। একাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোট ডাকাতির অভিযোগ তোলার পর এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না বিএনপি।