বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বন্ধ ৩টি ও নতুন ২টি ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্ট চালু হচ্ছে : নূরুল ইসলাম সুজন

নিউজ ডেস্ক: সংসদ ভবন, ৫ মার্চ, ২০১৯ (বাসস) : বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বন্ধ হয়ে যাওয়া ৩টি এবং নতুন ২টি ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্ট চালুর কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে চলছে।
আজ সংসদে সরকারি দলের সদস্য আলী আজমের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে রেলপথমন্ত্রী মো. নুরুল ইসলাম সুজন এ কথা জানান।
রেলপথমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ রেলওয়ের সাথে ভারতীয় রেলওয়ের সংযোগের জন্য ৭টি ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্ট রয়েছে। এরমধ্যে ৪টি ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্ট চালু রয়েছে এবং বাকি ৩টি ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্ট চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া আরো ২টি নতুন ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্ট চালুর কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে চলছে।
তিনি জানান, ৪টি ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্ট হচ্ছে- দর্শনা (বাংলাদেশ)-গেদে (ভারত), বেনাপুল (বাংলাদেশ)-পেট্রাপোল (ভারত), রোহনপুর (বাংলাদেশ)-সিঙ্গাবাদ (ভারত) ও বিরল (বাংলাদেশ)-রাধিকাপুর (ভারত)।
নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, বন্ধ যেসব ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্ট চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে এগুলো হলো- শাহবাজপুর (বাংলাদেশ)-মহিশাসন (ভারত)। ২০০২ সালের ৭ জুলাই এই ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্টটি বন্ধ হয়ে যায়। এই ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্ট চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে মাঠ পর্যায়ে এর নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। চিলাহাটি (বাংলাদেশ)-হলদিবাড়ি (ভারত) ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্টটি ১৯৬৫ সালে বন্ধ হয়ে যায়। এই ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্টটি পুনরায় চালু করতে পূর্ত কাজের ঠিকাদার নিয়োগের লক্ষ্যে ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর দরপত্র আহবান করা হয়েছে। বর্তমানে দরপত্র মূল্যায়ন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বুড়িমারি (বাংলাদেশ)-চেংরাবান্ধা (ভারত) ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্টটি ১৯৭১ সালে বন্ধ হয়ে যায়। এই ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্টটি চালু করলে ভারত, ভুটান ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য পরিবহন সহজতর হবে। এ লক্ষ্যে একটি ত্রি-পক্ষীয় এমওইউ বা প্রটোকল স্বাক্ষরের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, যেসব ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্ট চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে এগুলো হলো- আখাউড়া (বাংলাদেশ)-আগরতলা (ভারত) এই ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্ট চালু করার জন্য আখাউড়ার গঙ্গাসাগর থেকে আগরতলা ভারতীয় বর্ডার পর্যন্ত নতুন রেললাইন নির্মাণ করা হবে। এ লক্ষ্যে ভারত সরকারের অনুদানে একটি প্রকল্প একনেক অনুমোদন দিয়েছে। এছাড়া ফেনী-বিলোনিয়া ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্ট চালু করার লক্ষ্যে ফেনী থেকে বিলোনিয়া রেললাইন সংস্কার বা পুনঃনির্মাণ করা প্রয়োজন। ফেনী-বিলোনিয়া রেললাইন সংস্কার বা পুনঃনির্মাণ কাজ ভারতীয় অনুদানে সম্পন্ন করার একটি প্রস্তাব বাংলাদেশ রেলওয়ে থেকে ইআরডিতে পাঠানো হয়েছে।