তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম কমানো উচিত: নসরুল হামিদ

নিউজ ডেস্ক:  তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম কমানোর জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তিনি বলেন, দাম নির্ধারণের বিষয়টি বাজারের ওপর ছেড়ে দেওয়া মানে এই নয় যে, ইচ্ছেমতো দাম বাড়ানো হবে।

রোবাবর রাজধানীর বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটিতে দক্ষিণ এশিয়া এলপিজি সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

দুদিনের এই সম্মেলনে এলপিজি খাতের ৮০টিরও বেশি দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের এলপিজি সম্পর্কিত সর্বশেষ তথ্য ও প্রযুক্তি গ্রাহকদের সামনে তুলে ধরছে।

অনুষ্ঠানে নসরুল হামিদ বলেন, দেশের মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবার এলপিজি ব্যবহার করে। এতে তাদের মাসে চার থেকে সাড়ে ৪ হাজার টাকা খরচ পড়ে যায়। এটা অনেক বেশি। ডিলার থেকে সাব ডিলার, এরপর এজেন্ট- এভাবে তিন হাত ঘুরে গ্রাহকের কাছে যেতে ৫০০ টাকা বেড়ে যায়। এটি নিয়ন্ত্রণে ব্যবসায়ীদের কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, বিশ্ব বাজারে এলপিজির দাম কমে গেছে; আরও কমবে। এদেশের বাজারে দাম কমাতে হবে।

মঞ্চে উপস্থিত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যানকে উদ্দেশ্য করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিপিসির অবস্থা খুবই খারাপ। তাদের কারণে ব্যবসায়ীরা বাজার অস্থির করার সুযোগ পাচ্ছে। এটা হতে পারে না।

ইস্টকোস্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজম জে চৌধুরী বলেন, এলপি গ্যাসে মানুষের আগ্রহ অনেক বেড়েছে। গত চার বছরে চাহিদা ৮০ হাজার টন থেকে বেড়ে ১০ লাখ টনে উন্নীত হয়েছে। দেশে বর্তমানে ১৮টি কোম্পানি কাজ করছে। আরও ১০টি কোম্পানি শিগগিরই বাজারে আসবে। তিনি বলেন, চ্যালেঞ্জ হচ্ছে এর নিরাপত্তা নিয়ে। এর প্রধান কারণ ক্রস ফিলিং (স্থানীয়ভাবে সিলিন্ডার ভরানো)। এটা ঠেকাতে জনসচেতনতা বাড়ানো দরকার। সরকার ও এলপিজি ব্যবসায়ীদের যৌথভাবে কাজ করা উচিত।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিপিসি চেয়ারম্যান সামছুর রহমান, এফবিসিসিআই সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক আলী আহমেদ খান ও এফবিসিসিআই সিনিয়র সহসভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম।