শপথ নিলেই মনসুর-মোকাব্বির বহিষ্কার

নিউজ ডেস্ক:   দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেই সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ ও মোকাব্বির খানকে বহিষ্কার করবে গণফোরাম। এ বিষয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছে দলটি।

সূত্র জানায়, সম্প্রতি নির্বাচিত দুজনের বিভিন্ন মন্তব্যে ক্ষুব্ধ গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন, নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু। শপথ নেওয়া থেকে বিরত থাকার জন্য তারা মনসুর ও মোকাব্বিরকে একাধিকবার কড়া সতর্কবার্তা জানিয়েছেন। ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে সুলতান মনসুর বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে এবং মোকাব্বির খান দলীয় প্রতীক উদীয়মান সূর্য নিয়ে বিজয়ী হন।

সিলেট-২ আসন থেকে মোকাব্বির এবং মৌলভীবাজার-২ থেকে সুলতান মনসুর নির্বাচিত হন। ঐক্যফ্রন্টের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এ দুজন ছাড়াও বিএনপির নির্বাচিত ৬ জন সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেননি। ফ্রন্টের শীর্ষ নেতাদের ফোরাম স্টিয়ারিং কমিটির সর্বশেষ বৈঠকেও এ সিদ্ধান্ত বহাল থাকে। তবে মনসুর ও মোকাব্বির বরাবরই শপথ নেওয়ার বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন। মার্চের প্রথম বা দ্বিতীয় সপ্তাহে শপথ নিতে পারেন বলে জানিয়েছেন সুলতান মনসুর ও মোকাব্বির খান। সম্প্রতি মনসুর বলেছেন, মার্চের ১৫ তারিখের মধ্যে তিনি শপথ নিতে পারেন।

তিনি বলেন, জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন। তাদের ভোটের মর্যাদা দিতেই শপথ গ্রহণ করব। আমি জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার প্রতিনিধি হিসেবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে যোগ দিয়েছি। কিন্তু নির্বাচন করতে হলে নিবন্ধিত দলের সদস্য হতে হয়, তাই আমি গণফোরামের সদস্য হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলাম। এখন তারা যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার, নিতে পারে। মোকাব্বির খান বলেন, গণফোরামের সিদ্ধান্ত নিয়েই মার্চের প্রথম সপ্তাহে শপথ নিতে চাই। ড. কামাল হোসেনের সঙ্গে কথা বলেই শপথ নেওয়ার কথা জানান তিনি।

এ বিষয়ে মোস্তফা মহসিন মন্টু বলেন, গণফোরাম ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচিতদের শপথ না নেওয়ার সিদ্ধান্তে অটল। এখন কেউ যদি সেই সিদ্ধান্ত অমান্য করে শপথ নেয়, তা হলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দলীয় সিদ্ধান্ত ভঙ্গের দায়ে তাদের বহিষ্কার করা হবে।