রোদ দেখার সাথে সাথে, কিছুটা বেড়েছে ভোটার উপস্থিতি

নিউজ ডেস্ক: ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটিতে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল আটটায় শুরু হয়েছে এই ভোট গ্রহণ, যা একটানা চলবে বিকাল চারটা পর্যন্ত। বিএনপিসহ বেশিরভাগ রাজনৈতিক দলের বর্জনের মধ্যে হচ্ছে এই ভোট। তার উপর সাগরে নিম্নচাপের প্রভাবে সকাল থেকে বৃষ্টি হয়েছে। দুই-এ মিলে সকালে কেন্দ্রগুলোতে ভোটার উপস্থিতি তেমন একটা দেখা যায়নি। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে রোদের দেখা মিলছে। সঙ্গে ভোটার উপস্থিতিও কিছুটা বেড়েছে।ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের মেয়র পদে উপ-নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আতিকুল ইসলাম বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে উত্তরার আজমপুরে নওয়াব হাবিবুল্লাহ মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভোট দিয়েছেন।

ভোটারদের কেন্দ্রে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ভোট গণতান্ত্রিক অধিকার, আজকে ছুটির দিন, আনন্দের দিন। সবাই ভোট দিতে আসবেন। প্রধানমন্ত্রী আমাকে নৌকা মার্কা দিয়েছেন। উন্নয়নের জোয়ারে আমরা আছি। আপনারা সবাই এসে ভোট দিলে একটি সুন্দর, গতিময় ও উন্নত ঢাকা গড়তে পারব।

নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট অংশ নিচ্ছে না। তাই একপেশে নির্বাচনই হচ্ছে। প্রতিদ্বন্দ্বীতামূলক নির্বাচন আশা করেছিলেন কি না? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আতিকুল ইসলাম বলেন, অংশগ্রহণমূল নির্বাচন হলে এটা আরও প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ হতো। যদি অন্য আরেকটি পক্ষ (বিএনপি) ভোটে আসলে অবশ্যই ভালো হতো। তবে আমাদের এটুকু বিশ্বাস ভোটে নৌকার বিজয় হবে।

আরও পড়ুন: পিআইবি মহাপরিচালক শাহ আলমগীর মারা গেছেন

উত্তর সিটির মেয়র পদে উপ-নির্বাচন, নতুন ১৮টি ওয়ার্ডের সাধারণ নির্বাচন, দুটি ওয়ার্ডে উপ-নির্বাচন এবং দক্ষিণ সিটির নতুন ১৮টি ওয়ার্ডের সাধারণ নির্বাচন হচ্ছে আজ। বিজয়ীরা দায়িত্ব পালন করবেন আগামী এক বছর। এই ভোটকে কেন্দ্র করে রাজধানীর দুই সিটিতে সাধারণ ভোটারদের আগ্রহ নেই বললেই চলে। দলীয় প্রতীকে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ থাকলেও এ নির্বাচনে অধিকাংশ নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল প্রার্থী না দেওয়ায় নির্বাচনী প্রচারেও কোনো উত্তাপ ছিল না।

মিলছে রোদের দেখা, বাড়ছে ভোটার উপস্থিতি

ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ জানিয়েছেন, প্রতি সাধারণ কেন্দ্রে বিভিন্ন বাহিনীর ১৯ জন করে এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ২৩ জন করে ফোর্স মোতায়েন থাকবে। এ ছাড়া নির্বাচনে পুলিশ, এপিবিএন ও ব্যাটালিয়ন আনাসার সমন্বয়ে মোট ২৭টি মোবাইল টিম নিয়োজিত আছে। এ ছাড়া এদের ১৮টি স্ট্রাইকিং ফোর্স নিয়োজিত থাকবে। র‌্যাবের নিয়োজিত রয়েছে ২৭টিম, মোতায়েন করা হয়েছে ২৫ প্লাটুন বিজিবি। নির্বাচনের আচরণবিধি প্রতিপালন ও অনিয়মের শাস্তি প্রদানে ৫৪ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত রয়েছেন ২৪ জন।

ডিএনসিসির মেয়র পদে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হলেন- আওয়ামী লীগের আতিকুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির মো. শাফিন আহমেদ, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মো. আনিসুর রহমান দেওয়ান, প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক পার্টির শাহীন খান ও স্বতন্ত্র মো. আবদুর রহিম। এছাড়া ডিএনসিসির ১৮টি সাধারণ ওয়ার্ডে ১১৬ জন ও সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৪৫ জন প্রার্থী রয়েছেন।