গেইল একজন কিংবদন্তি

নিউজ ডেস্ক:  ড্যারেন ব্র্যাভো নিজেরই শততম ওয়ানডে খেলতে নামার কথা গতকাল রাতে। অভিজ্ঞতার হিসেবে তারও কম অভিজ্ঞতা হলো না। কিন্তু তিনি বলছেন, ড্রেসিংরুমে ক্রিস গেইলের মতো অভিজ্ঞ ও হাসিখুশী একজন খেলোয়াড়ের উপস্থিতি অমূল্য। গেইলকে একজন কিংবদন্তী বলে দাবি করে ব্র্যাভো বলেছেন, ওয়েস্ট ইন্ডিজকে অনেক সমৃদ্ধ করেছেন তিনি।

গেইলের উপস্থিতি সম্পর্কে বলতে গিয়ে দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে দূরে থাকা ব্র্যাভো বলছিলেন, ‘সে অবশ্যই অনেক তরুণ ক্রিকেটারের জন্য একজন নায়ক। সে কেবল একজন নায়ক নয়; একজন কিংবদন্তী। ক্রিসের অভিজ্ঞতাটা ড্রেসিংরুমে পাওয়াটা একটা অমূল্য ব্যাপার। সে প্রতিটা খেলোয়াড়ের মুখে হাসি ফুটিয়ে দিতে পারে। আর আপনারা যেমনটা জানেন, সে যখনই মাঠে যায়, আমরা সবাই ক্রিকেটটা খুব উপভোগ করি।’

ব্র্যাভো বলছিলেন, গেইলের এখন একটু বয়স হয়েছে। তারপরও গেইল এখনও আগের মতো বল পেটাতে পারেন। তাই তারা সবাই এই বিধ্বংসী ওপেনারকে নিয়ে খুশী, ‘আপনি যদি পরিসংখ্যানের দিকে তাকান, দেখতে পাবেন সে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অনেক কিছু অর্জন করেছে। সে বিশেষ একজন খেলোয়াড়। আমরা সত্যিই তাকে পেয়ে সবাই খুশী। তার একটু বয়স হয়েছে। কিন্তু যেটা গুরুত্বপূর্ণ, সে এখনও আগের মতোই বলকে পেটাতে পারে। ড্রেসিংরুমে সে সবসময় বাকীদের বিভিন্ন তথ্য জানায়। সে তরুণদের খুব সহায়তা করে।’

ব্র্যাভো বলছেন, গেইলের বাহ্যিক অলসতা কাউকে কাউকে হতাশ করতে পারে। অনেক সময় নিশ্চিত সিঙ্গেল তিনি নেন না। কিন্তু সেটা আবার গেইলই পুষিয়ে দিতে পারেন, ‘অনেক সময় তার সাথে ব্যাটিং করাটা হতাশার হতে পারে। অনেক সময় সে হয়তো নিশ্চিত সিঙ্গেল নেয় না বা সে একটু ধীর থাকে। কিন্তু ও অন্যপ্রান্তে থাকাটাই একটা বড় ব্যাপার। সে এটা পুষিয়ে দিতে পারে। সে পরের ওভারেই দুটো ছক্কা মেরে দিতে পারে। অন্য ব্যাটসম্যান সিঙ্গেলের জন্য যে হতাশায় ভোগে, সে সেটা পুষিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। আমি তার সম্পর্কে নেতিবাচক বলতে চাই না। সে এখন পর্যন্ত আমাদের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। সে অসাধারণ। আর আমি তার মঙ্গল কামনা করি।’

ব্র্যাভো নিজেও অবশ্য গেইলের মতো অভিজ্ঞতা এতোদিনে অর্জন করে ফেলতে পারতেন। তিনি তত্কালীন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড প্রেসিডেন্ট ডেভ ক্যামেরনের সাথে বিতণ্ডায় লিপ্ত হয়ে দীর্ঘদিন ছিলেন দলের বাইরে। অবশেষে গত বছরের শেষ দিকে আবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরে এসেছেন।