খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার আন্দোলন হবেই

সুমন দত্ত: ৩০ ডিসেম্বর কোনো ভোট হয়নি। হয়েছে ভোট ডাকাতি। যোগ্য অনেকেই দলের মনোনয়ন পায়নি। এবার বিএনপিকে পূর্ণগঠন করেই মাঠে নামা হবে। খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে আন্দোলন শুরু হবে।

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বিএনপি নেতা তৈমুর আলম খন্দকারের লেখা দুটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচনকালে এসব কথা বলেন বিএনপি নেতারা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, জনবা শামসুজ্জামন দুদু। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব:) হাফিজউদ্দিন আহমদ ।এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। এছাড়া বিএনপির অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

মেজর হাফিজউদ্দিন বলেন, দেশে আজ কোনো গণতন্ত্র নেই। এমন পরিস্থিতি বজায় থাকলে ধর্মীয় শক্তির উত্থান হবে। তখন বর্তমান সরকারকে করুন পরিণতির মধ্য দিয়ে বিদায় নিতে হবে। আমরা এমনটা চাই না। চাই না দেশে ধর্মীয় শক্তির উত্থান হোক।

তিনি বলেন, দলের যোগ্য অনেকে মনোনয়ন পাননি। আর মনোনয়ন পেলেও একই অবস্থা হতো। বাংলাদেশ সচিবদের প্রশিক্ষণে ভারতে পাঠাচ্ছে। এটা হাস্যকর। ভারত পাকিস্তানের পানি আটকে দিয়েছে। নদীর গতিপথ বদলে দিয়েছে। বাংলাদেশের অনেক নদীর গতিপথ ভারত বদলে দিয়েছে। তার কোনো প্রতিবাদ কেউ করতে পারে না। এসব হয়েছে নীরবে। 

খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, বিএনপি দুর্বল নয়। বিএনপি কর্মীরা ভোট দেখে হতভম্ব হয়ে গেছে। বিএনপি পুনর্গঠিত হয়ে মাঠে নামবে। খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে আন্দোলন শুরু করবে।

বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, ৩০ ডিসেম্বর সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিএনপি ২৫১টি আসন পেত। তা হয়নি।

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকানিউজ২৪ডটকম