নদী রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে

সুমন দত্ত: নদীকে বাচতে হবে নদীর মতো। নদী রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। সরকার একা নদী রক্ষা করতে পারবে না। স্কুলের সিলেবাসে নদীর গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করতে হবে। সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে নদীর অবৈধ দখল উচ্ছেদের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব মতামত রাখেন অনুষ্ঠানে আগত বক্তারা।

বাংলাদেশে অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টি ফোরাম (বোয়াফ) এই মতামত অনুষ্ঠান আয়োজন করে। এতে বক্তব্য রাখেন সুপ্রিমকোর্টের সাবেক বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, বোয়াফের সভাপতি কবির চৌধুরী তন্ময়, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শামীম আফজাল, সংসদ সদস্য মুহম্মদ শফিকুর রহমান, সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয় সচিব নাছির উদ্দিন আহমেদ।

বিচারপতি মানিক বলেন, নদী রক্ষায় মহামান্য হাইকোর্ট ও সুপ্রিমকোর্ট বেশ কয়েকটি রায় দিয়েছিল। দু:খের বিষয় সেই রায়ের প্রতিফলন আমরা সবকিছুতে দেখতে পেলাম না। নদীর জায়গা রক্ষায় অভিযান হয়। পরে আবার সেই স্থান দখল হয়ে যায়। ফলাফল যেই লাউ সেই কদু। তাই আমাদের এবার শক্তি নিয়ে নদী রক্ষায় নামতে হবে। নদী দখলকারীরা যত শক্তিশালী হোক তাদের চেয়ে বেশি শক্তি নিয়ে আমাদের উচ্ছেদ অভিযান চালাতে হবে।

তিনি বলেন, একসময় আমি বুড়িগঙ্গায় স্মান করেছি। সাতার কেটেছি। এখন বুড়িগঙ্গায় নোংরা পানি। জলজ প্রাণীরা সেখানে থাকতে পারে না। সরকারকে নদী ও খাল সনাক্ত করতে হবে। তারপর সেই সব নদীর জায়গা দখলমুক্ত করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, নদী রক্ষা কমিশন সরকার বানিয়েছে। কিন্তু তাকে ক্ষমতা দেয়া হয়নি। এটা ঠিক নয়। নদী রক্ষায় সুপ্রিমকোর্ট যে রায় দিয়েছে তাতে নদী রক্ষা কমিশনকে নদীর অভিভাবক বলা হয়েছে। নদী রক্ষায় যা যা করণীয় নদী রক্ষা কমিশনকে তা করতে বলা হয়েছে। তাই নির্বাহী ক্ষমতা নদী রক্ষা কমিশনের আছে।

সাংস্কৃতিক সচিব বলেন, সরকার নদী রক্ষা কমিশন করেছেন। তাই নদী রক্ষা কমিশনকে সাহস নিয়ে নদী রক্ষার কাজ করতে হবে। নদী রক্ষার সঙ্গে যেসব সরকারি সংস্থা জড়িত তাদের প্রত্যেককে এগিয়ে আসতে হবে। জনগণকে নদীর জন্য সোচ্চার হতে হবে। বিগত ১০ বছর নদী রক্ষায় সরকারের সফলতা কি তার তথ্য উপাত দেন তিনি।

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকানিউজ২৪ডটকম