১০২ জন মাদককারবারি ও মাদক পৃষ্ঠপোষক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিকট আত্মসমর্পণ

নিউজ ডেস্ক: মাদক ব্যবসায়ীদের জন্য বাংলাদেশ একটি নিষিদ্ধ দেশ হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। আজ শনিবার সকালে টেকনাফ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ইয়াবা কারবারীদের আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফ মাহমুদ অপুর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ খবর জানানো হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মাদক ব্যবসায়ীদের জন্য বাংলাদেশ হবে একটি নিষিদ্ধ দেশ। এদেশে মাদক উৎপাদন হয় না, অন্যদেশ হতে এদেশের চোরাকারবারীদের মাধ্যমে মাদক প্রবেশ করে। এসব মাদক কারবারিদের ছাড় দেয়া হবে না। তাদের প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে।’

এর আগে টেকনাফের ১০২ জন মাদককারবারি ও মাদক পৃষ্ঠপোষক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিকট আত্মসমর্পণ করে।

এ সময় আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে “জিরো টলারেন্স” নীতি ঘোষণা করেছেন। সে নীতি প্রতিপালনে আমরা অবিচল। বাংলাদেশের কক্সবাজারের ১৯৩ কিলোমিটার সীমান্ত দিয়ে মাদক প্রবেশ করে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত অভিযান ও প্রচেষ্টায় সীমান্তে মাদক প্রবেশ বন্ধ করা হবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সদস্য যদি মাদক কারবারীদের সহযোগী হয় তাহলে তাদেরও মাদক কারবারীদের মতো একই পরিণতি ভোগ করতে হবে।’

আজকে যারা আত্মসমর্পণ করেছেন তাদেরকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে আইনি সহযোগিতা প্রদানসহ তাদের পুনর্বাসনে সহযোগিতার কথাও বলেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বর্তমান বিশ্বে উন্নয়নের এক বিস্ময় নাম বাংলাদেশ। বাংলাদেশকে বাঁচাতে হলে দেশকে মাদকমুক্ত করতে হবে। মাদকমুক্ত করার জন্য যা যা করা দরকার সরকার তাই করবে।’

যারা এখনও মাদক ব্যবসা করছেন তাদেরকে দ্রুত মাদক ব্যবসা ছেড়ে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) এ বি এম মাসুদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, স্থানীয় সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল প্রমুখ।