নির্বাচন করছেন না প্রভাষক তরিক

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি ::
শ্রদ্ধেয়/প্রিয় কুলাউড়াবাসী,
আমার সালাম/আদাব/কুবলাই ও শুভেচ্ছা নিবেন,
আপনারা জানেন আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আমি ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার মনোবাসনা পোষণ করেছিলাম। সেই লক্ষ্যে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কুলাউড়া উপজেলা শাখার নিকট আবেদনও করেছিলাম। সেই আবেদনের তালিকা ঢাকায় যাবার পর কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের চূড়ান্ত মনোনয়ন চেয়ে ফর্ম পূরণ করে সেটিও জমা দিয়েছিলাম।

কিন্তু হঠাৎ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ইউটার্ন নিয়ে সিদ্ধান্ত বদল করে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন উন্মুক্ত ঘোষণা করে। সেই পরিবর্তিত সিদ্ধান্তের কারণে আমিও একরকম বাধ্য হয়ে নির্বাচন না করার সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি।

বলবেন তবে কেন প্রার্থীই-বা হয়েছিলাম? আমার মতে নির্বাচন একটি দু’তরফা দাখিলা পদ্ধতি_১। যেখানে একটি জনগোষ্ঠীর একটি প্রতিনিধিত্বশীল অংশ এক বা একাধিক মানুষকে তাঁদের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য জোর করে নির্বাচনে প্রার্থী করেন, ২। এক বা একাধিক স্বপ্নবাজ মানুষ একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর ভাগ্যোন্নয়নে নিজে থেকে এগিয়ে প্রার্থী হোন। আমার মতে আমি এখনও দ্বিতীয় ক্যাটাগরিতে আছি, প্রথম ক্যাটাগরিতে উঠে আসতে পারিনি। পারিনি বলেই এ যাত্রায় প্রার্থী হচ্ছি না কারণ দ্বিতীয় ক্যাটাগরিতে পাশ-ফেলের সম্ভাবনা ৫০-৫০, এবং বর্তমান বাস্তবতায় কেউ হেরে যাওয়া মানুষকে মনে রাখে না, তাঁর পাশে হাটে না।

তবে কি দল মনোনয়ন দিলে প্রার্থী হতাম? উত্তর: জ্বী। কারণ আমি দলের কর্মী হিসেবে দলের পক্ষে কিছু কাজ করতে পারলেও বৃহত্তর অর্থে আপামর কুলাউড়াবাসীর জন্য কিছু করতে পারিনি যে, আমি প্রার্থী হলে উনারা বিনাশর্তে পাশ করার মতো ভোট দেবেন। এখন আমি প্রার্থী নাহলেও শুনতেছি আমাদের দল থেকে ৩-৪ জন প্রার্থী হবেন যা আত্মহত্যার শামীল (আমার মতে)। গতবার এরকম ৩ জন প্রার্থী হওয়ায় ৪র্থ আরেকজনের (অন্যদলের) ভাগ্য খুলেছিল। অথচ দল আমাকে বা অন্য যে কাউকে একক প্রার্থী দিলে পাশ করা যেত বলেই দৃঢ় বিশ্বাস করি।

যাইহোক, মোদ্দাকথা হচ্ছে আমি নিজেকে ওভার এস্টিমেইট করছি না বরং পা মাটিতেই রাখছি। আপনাদের অব্যাহত দোয়া/আশীর্বাদ সহযোগিতা-ভালোবাসা পেলে ভবিষ্যতে যেকোনো নির্বাচন করার কথা চিন্তা-ভাবনা করে দেখবো। দোয়া করবেন আল্লাহ যাতে সে পর্যন্ত বাঁচিয়ে রাখেন, আমীন।

মোহাম্মদ আলী চৌধুরী তরিক
-সক্রিয় কর্মী,
কুলাউড়া উপজেলা আওয়ামীলীগ।