নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা সম্ভব : কৃষিমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক:   কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, কৃষি মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ইরি) পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা সম্ভব।

সমস্যা মোকাবেলা করে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে ইরি’র সহায়তা অব্যাহত থাকবে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘উভয়েই একসাথে কৃষির সাফল্যের অগ্রযাত্রাকে টেকসই করবো। ইতোপূর্বে যৌথভাবে উদ্ভাবন ভিটামিন এ সমৃদ্ধ গোল্ডে রাইস। যার ফলে দেশের ভিটামিন এ -এর অভাব অনেকাংশে দূর হবে। এভাবে পাস্পরিক সাহায্য সহযোগিতার ফলে কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ।’
আজ সচিবালয় ইরি’র প্রতিনিধিদলের মতবিনিময়কালে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ইরি’র সাত সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ড. হুমনাথ ভান্দ্রে। এ সময় কৃষি মন্ত্রীকে অবহিত করা হয়, ক্যারোটিন সমৃদ্ধ গোল্ডেন রাইস বিরি-২৮ ও ২৯ এর মতোই এর উৎপাদন। স্বাভাবিক জাতের ধানের ন্যায়। এটি পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রের অপেক্ষায় রয়েছে। আগামী দুই তিন মাসের মধ্যে এটির ছাড়পত্র পাওয়া যাবে, সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ইরি এশিয়াতে খাদ্য নিরাপত্তায় বড় ভূমিকা রেখে আসছে। স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে আমাদের দেশের কৃষি উন্নয়নে তাদের অনেক অবদান রয়েছে। বর্তমান কৃষি বিপ্লবেও ইরি’র অংশীদারিত্ব রয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সদ্য সমাপ্ত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং সরকার গঠনকে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ সমর্থন দিয়েছে, অভিন্দন জানাচ্ছে। এছাড়া বর্তমানে দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিরাজ করছে, যা অতিতের চেয়ে অনেক সুসংহত। জনগণ এরকম পরিবেশ প্রত্যাশা করে। প্রশাসনও জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সর্বদা সচেষ্ট।

পরে মন্ত্রী বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধিদলের সাথে সাক্ষতে মিলিত হন। দ্বিপাক্ষীক আলোচনায় কৃষি প্রধান্য পায়। সরকার ও বিশ্বব্যাংকের এ যৌথ উদ্যোগের ফলে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিঘাত সহনশীল প্রযুক্তি, কার্যক্রম ও কৃষি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির পথ খুলে যাবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি এতে কৃষি খাতের বিভিন্ন অন্তরায়ও দূর করা সম্ভব হবে। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন সঞ্জয় শ্রীভাস্তব।