আইনজীবী বাবু সোনা হত্যায় স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড

নিউজ ডেস্ক:  রংপুরের বিশেষ জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ও আওয়ামী লীগ নেতা রথীশ চন্দ্র ভৌমিক ওরফে বাবু সোনা হত্যা মামলায় তাঁর স্ত্রী স্নিগ্ধাকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে রংপুর জ্যেষ্ঠ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এ বি এম নিজামুল হক এই রায় দেন।

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আব্দুল মালেক জানান, ‘গত বছরের ৩০ অক্টোবর থেকে এই হত্যা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। বাবু সোনা হত্যা মামলায় ৩৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে সোমবার যুক্তিতর্ক শেষে আদালত রায়ের জন্য এই দিন নির্ধারণ করেছিলেন।’

এই মামলার প্রধান আসামি শিক্ষক কামরুল ইসলাম গত বছরের ১০ নভেম্বর মারা গেছে। রাষ্ট্রপক্ষের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আব্দুল মালেক এবং আসামিপক্ষে স্টেট ডিফেন্স (রাষ্ট্র নিযুক্ত) আইনজীবী বসুনিয়া মো. আরিফুল ইসলাম স্বপন মামলাটি পরিচালনা করেন।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২৯ মার্চ রাতে বাবু সোনাকে ১০টি ঘুমের ওষুধ খাইয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন তার স্ত্রী স্নিগ্ধা সরকার ওরফে দীপা ও শিক্ষক কামরুল ইসলাম। এরপর তার মরদেহ তাজহাট মোল্লাপাড়ায় প্রেমিক শিক্ষক কামরুলের ভাইয়ের নির্মাণাধীন বাড়ির ঘরের মেঝেতে পুঁতে রাখা হয়।

পরবর্তীতে ৩ এপ্রিল ২০১৮ মধ্যরাতে বাবু সোনার স্ত্রী স্নিগ্ধা সরকার ওরফে দীপাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র‌্যাব আটক করে। তিনি এ হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন এবং মরদেহের অবস্থান সম্পর্কে তাদের জানান। সেই সূত্র ধরে ওই দিন রাতে মোল্লাপাড়ার ওই বাড়ির মেঝে খুঁড়ে নিহত আইনজীবী বাবু সোনার গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।