ঢাকা রেঞ্জের ২৯ পুলিশ সদস্য পুরস্কৃত

স্টাফ রিপোর্টার : শনিবার টাঙ্গাইলের পুলিশ ট্রেনিং কলেজে মাসিক অপরাধ সভায় ২৯ পুলিশ সদস্যের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়। মাসিক কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ঢাকা রেঞ্জের পুলিশ সদস্যদের এই পুরস্কার দেয়া হয়।

রেঞ্জের সেরা পুলিশ সুপার নির্বাচিত হন নারায়ণগঞ্জের হারুন-অর-রশিদ। আর নারায়ণগঞ্জ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ সার্কেল কর্মকর্তা হিসেবে পুরস্কৃত হন।

এছাড়াও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে খুন মামলার মূল রহস্য উদঘাটন, আসামী গ্রেফতার ও মোবাইল চুরির শীর্ষ চোরকে ১৩ টি মোবাইল ফোন ০১ টি ট্যাবসহ গ্রেফতার করায় ভালো কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ ঢাকা রেঞ্জের ২য় শ্রেষ্ঠ কনষ্টেবল হিসেবে ক্রেষ্ট, সনদ ও নগদ অর্থ পুরস্কার গ্রহন করছেন টাঙ্গাইল জেলার ডিবি (দক্ষিন) এ কর্মরত কং/মোঃ শামসুজ্জামান।

গত ডিসেম্বরে ঢাকা রেঞ্জের বিভিন্ন জেলার অপরাধ পরিসংখ্যান নিয়ে সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং বিভিন্ন মামলার বিষয়ে দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়। সভায় জানানো হয়, গত মাসে ঢাকা রেঞ্জে দুই হাজার ৩৩৫টি মামলা করা হয়েছে, যা নভেম্বরের তুলনায় ৮৯০টি এবং ২০১৭ সালের ডিসেম্বরের তুলনায় ৮৭১টি মামলা কম।

২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসে মাদকদ্রব্য উদ্ধার খাতে এক হাজার ২২১টি মামলা করা হয়েছে, যা নভেম্বরের তুলনায় ৬৫১টি ও ২০১৭ সালের ডিসেম্বরের তুলনায় ৫১২টি মামলা কম। তাছাড়া, অস্ত্র উদ্ধার খাতে ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ১৯টি মামলা করা হয়েছে, যা নভেম্বরের তুলনায় ১১টি ও ২০১৭ সালের ডিসেম্বরের তুলনায় আটটি মামলা কম।

ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন মাদক নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কাজ করতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, মাদক বিপণনে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করতে হবে এবং জঙ্গিরা যাতে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

গত নির্বাচনে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করায় ঢাকা রেঞ্জের সব পুলিশ সদস্যকে ধন্যবাদ জানান ডিআইজি। ডিআইজি (অপরাধ) আবু কালাম সিদ্দিক, অতিরিক্ত ডিআইজি (অপস অ্যান্ড ইন্টিলিজেন্স) আসাদুজ্জামান এবং রেঞ্জের ১৩টি জেলার সব পুলিশ সুপারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।