স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তার টেন্ডার জালিয়াতির অভিযোগ অস্বীকার

টেন্ডার জালিয়াতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (বাজেট) ডা. আনিসুর রহমান।

সোমবার সকাল সোয়া ১১টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আমি বাজেট শাখায় কাজ করি। আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে বাজেটপত্রে স্বাক্ষর করি। টেন্ডার জালিয়াতিতে যে কাজটার জন্য বলা হয়েছে, আমি সেই টেন্ডার প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত না।

ভুয়া টেন্ডারের মাধ্যমে শত কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (বাজেট) ডা. আনিসুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন দুদকের উপ-পরিচালক মো. শামছুল আলম।

ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ জড়িত কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রামাণিত না হওয়া পর্যন্ত কারো বিরুদ্ধে কিছু বলা যাবে না। আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন।

এছাড়া, তলবকৃত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক ও লাইন ডিরেক্টর ড. কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন ও লাইন ডিরেক্টর (চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি) অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুর রশিদ সময় চেয়ে আবেদন করেছেন। নথিপত্র সংগ্রহের জন্য সময় চেয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে অনুসন্ধান কর্মকর্তা সামসুল আলম বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ডা. আনিসুর রহমানকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। শারীরিক অসুস্থতার কারণে দুই দিন সময় চেয়েছেন পরিচালক ডা.কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন। আর ১৫ দিন সময় চেয়ে আবেদন করেছেন লাইন ডিরেক্টর ডা. আব্দুর রশিদ। এর আগে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আবজাল হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, এ কারণে তিনি আসেননি।

অভিযোগের বিষয়ে দুদক সূত্র জানায়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে সিন্ডিকেট করে সীমাহীন দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাত করে বিদেশে পাচার এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। ২০১৮ সালের প্রথম দিকে অভিযোগ অনুসন্ধানে নামে দুদক। দুদকের উপ-পরিচালক মো. সামছুল আলমের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি দল অনুসন্ধান করছে।