বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল

নিউজ ডেস্ক:   রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারী ও ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে যোগসূত্র স্থাপনের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক অবদান রাখতে সহায়ক হবে।

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা উপলক্ষে মঙ্গলবার এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। ৯ জানুয়ারি রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মাসব্যাপী এ মেলা শুরু হচ্ছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো’র যৌথ উদ্যোগে ২৪তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা (ডিআইটিএফ) অনুষ্ঠিত হচ্ছে জেনে রাষ্ট্রপতি সন্তোষ প্রকাশ করেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশকে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্য আয়ের ও ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে রূপান্তরের লক্ষ্যে এরইমধ্যে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এ লক্ষ্য অর্জনে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারসহ বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে নানামুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বেসরকারি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করতে প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল। প্রযুক্তিভিত্তিক শিল্পের প্রসারে সারাদেশে স্থাপন করা হচ্ছে হাইটেক পার্ক। সরকারের এ সব বহুমুখী অর্থনৈতিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ও অর্থনীতির দ্রুত বিকাশে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ব্যবসায়িক আয়োজন। উৎপাদক-রপ্তানিকারক, আমদানিকারক, ব্যবসায়ী ও ক্রেতাসাধারণকে একক প্লাটফর্মে সমবেত করার ক্ষেত্রে মেলাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মেলায় উৎপাদকরা মানসম্মত, উদ্ভাবনী ও ফ্যাশনেবল পণ্যসম্ভার ক্রেতা দর্শনার্থীদের সম্মুখে উপস্থাপনের যেমন সুযোগ পায় তেমনি দর্শনার্থীরাও পণ্যের মান ও দামের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করার সুযোগ লাভ করে। এবারের ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা উৎকৃষ্ট মানের পণ্যসম্ভার ও সেবা প্রদর্শনের মাধ্যমে আরো আকর্ষণীয় হবে।

আবদুল হামিদ বলেন, দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠান, রপ্তানিকারক, আমদানিকারক ও সরবরাহকারীসহ ক্রেতা-দর্শকবৃন্দ ডিআইটিএফ-এ অংশগ্রহণের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিকে আরো বেগবান করতে সক্ষম হবে।

তিনি প্রত্যাশা করেন যে, সকলের অংশগ্রহণে মেলা আরো প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর হয়ে উঠুক। বাসস।