দেড়শ’ কেন্দ্র দখল হয়েছে, অভিযোগ রেজা কিবরিয়ার

নিউজ ডেস্ক:   হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনের দেড়শ’টি কেন্দ্র দখল করে নৌকা প্রতীকের লোকজন ব্যালট পেপারে সিল মেরেছে বলে অভিযোগ করেছেন ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ড. রেজা কিবরিয়া। রোববার দুপুর দুইটায় নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এ অভিযোগ করেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক অর্থমন্ত্রী প্রয়াত শাহ এএমএস কিবরিয়ার ছেলে রেজা কিবরিয়া জানান, সকাল থেকে এ আসনের ১৭৬টি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে সুষ্ঠু ভোট শুরু হয়। ঘণ্টাদুয়েক পর সরকারি দলের লোকজন তার এজেন্টদের বের করে দিয়ে দেড়শ’টি ভোটকেন্দ্র দখল করে নৌকা প্রতীকে সিল মেরেছে দাবি করে রেজা কিবরিয়া বলেন, এ নিয়ে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের বারবার ফোন করলেও তারা রিসিভ করেননি।

এর আগে সরেজমিন বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, সকাল থেকে উপস্থিতি কম থাকলেও দুপুরের দিকে ভোটারদের উপস্থিতি বেড়েছে। সকাল ১১টার দিকে নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের কসবা বাজে সুনাইত্যা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ ও ধানের শীষের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। কেন্দ্রের ভেতর দুই দলের পোলিং এজেন্টের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ছুরিকাঘাতের ঘটনাও ঘটে। এতে পাঁচ এজেন্ট আহত হন।

আহত পাঁচ এজেন্ট হলেন- নৌকা প্রতীকের এমরান হোসেন এবং ধানের শীষের ফবি আলম, এরশাদুল হক, মিজান, হাসেম, তাহের ও রুবেল। তাদের মধ্যে একজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এছাড়া পৌর এলাকার হীরা মিয়া গার্লস হাই স্কুল, শেরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মোস্তফাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, লোগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সৈয়দপুর বাজার ফাজিল মাদ্রাসা, রাজাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চরগাঁও শেখ আমিনা বিবি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে নৌকা ও ধানের শীষের সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে খবর মিলেছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ওইসব কেন্দ্রে উপস্থিত হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

এদিকে, গঞ্জা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কায়স্থগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাইয়াপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তাহিরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শেরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দুর্লভপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভুবিরবাক-১ ও ২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পরবতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সোনাপুর, জগন্নাথপুর ও চৌকি ভোটকেন্দ্রে ধানের শীষের এজেন্টের দেখা মেলেনি।